Tag Archives: সৌম্য সরকার

সীমিত ওভারে বড় ইনিংসের অপেক্ষায় সৌম্য

মাঝে একটা বছর খুঁজে পাওয়া যায়নি চেনা সৌম্য সরকারকে। ২০১৪ সালে অভিষেকের পরে নিজেকে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন, ২০১৬তে এসে যেন তা মুদ্রার অন্য পিঠ। ব্যাটে রান না আসায় বাদও পড়তে হয়েছে দল থেকে। কিন্তু হতাশ হয়ে থেমে যাননি সৌম্য। নিজেকে ঝালাই করেছেন এবং আবারো ফিরে এসেছেন। তবে এই সৌম্য হয়েছেন অনেকটাই দায়িত্বশীল ও শান্ত।

গেল নিউজিল্যান্ড সফর থেকেই আবারো যেন ধীরে ধীরে তার ব্যাট কথা বলতে শুরু করেছে। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে ৮৬ রান। এরপরেই আবারো ভরসার নাম হয়ে গেলো সৌম্য। ভরসা করে যে ভুল হয়নি তার প্রমানও দিলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টে।  দুই টেস্টের প্রথম তিন ইনিংসে ৭১, ৫৩, ৬১।

তবু একটা প্রশ্ন থেকে রেহাই পাচ্ছেন না এই বাঁহাতি ওপেনার। কেন এই ইনিংসগুলো আরও বড় হচ্ছে না? চেষ্টার কম করছেন না। কিন্তু হচ্ছে না। তবে সামনেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ। আরেকটি সুযোগ পাচ্ছেন নিজেকে প্রমানের। সীমিত ওভারে বড় ইনিংস দিয়েই নিজের প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চান সৌম্য।

মঙ্গলবার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়ে গেলেন নিজের ইচ্ছার কথা। বললেন,  ‘আমি সব সময়ই চেষ্টা করে যাচ্ছি। কেউ তো ইচ্ছে করে ওভাবে আউট হয় না। আমি চাইব পেছনের ভুলগুলো যেন আর না হয়। চেষ্টা করব ওয়ানডেতেও টেস্টের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে রান করতে।’

বলেন, ‘টেস্টে ইনিংস বড় করতে পারিনি। ওয়ানডেতে সেরকম সুযোগ পেলে বড় করার চেষ্টা করব। চেষ্টা করব নিজের কাজ শতভাগ দেওয়ার। দলে আরও বেশি অবদান রাখার।’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচটিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ, তাও জানালেন সৌম্য। টানা পাঁচ টেস্ট পরে আবারো সাদা বলে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার জন্যই এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন দলের সবাই।

ওয়ানডেতে সৌম্যর রেকর্ড বরাবরই চোখে পড়ার মতো। একমাত্র আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরিটিও করেছেন এই সংস্করণেই। তাই ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই ফরম্যাটে প্রত্যাশাই বেশি সৌম্যর কাছে। সৌম্যও চান আবারো নিজেকে প্রমান করতে।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করতে মরিয়া সৌম্য

২০১৫ সালটা স্বপ্নের মতন কাটিয়েছেন সৌম্য সরকার। ২০১৪ তে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেকের পর জায়গা পান বিশ্বকাপ দলেও। মূলত সেখান থেকেই শুরু সৌম্যর। ব্যাট হাতে ফুলছড়ি ছড়িয়েছেন অনেকবার। তাঁর ব্যাটিং কল্যাণে এসেছে বেশ কিছু জয়ও। তবে হুট করে নিজেকে হারিয়ে বসেন  সৌম্য।

২০১৬ সালে টানা ব্যর্থতার পরেও তাঁর প্রতি আস্থা রেখেছিলেন কোচ-অধিনায়ক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেকে ফিরে পেয়েছিলেন সৌম্য। টি-টোয়েন্টি ভালো খেলার পর ইমরুলের ইনজুরির কারণে জায়গা পেয়ে যান টেস্ট দলেও। খেলেন ৮৬ রানের এক দারুণ ইনিংস।

ইনজুরির কারণে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টে কায়েস দলে না থাকাতে একরকম ওপেনিংয়ে তামিমের সঙ্গী হিসেবে খেলবেন সৌম্য সরকার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ভালো করতে মরিয়া সৌম্য। সৌম্য জানান, ভারতের বিপক্ষে ভুলগুলো শুধরে নিতে চান তিনি।

“ভারতের বিপক্ষে যে ভুলগুলো হয়েছিলো সেগুলো ঠিক করে নিতে চাই। আমার লক্ষ্য থাকবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় স্কোর করা। যদি আমি ভালো করতে পারি তাহলে দলের জন্যও কাজে দিবে সেটা।”

ভারতের বিপক্ষে ভালো খেলতে চান সৌম্য

বেশ কয়েকদিন ধরে ফর্মহীনতায় ভুগছিলেন সৌম্য সরকার। যদিও ইদানীং নিয়মিত রান পাচ্ছেন ব্যাটে। নিউজিল্যান্ড সফরে দলের ব্যর্থতা ছাপিয়ে উজ্জ্বল ছিলেন অন্যদের তুলনায়।

বৃহস্পতিবার ভারত সফরের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান বলেন, ভারত সফরে ভালো খেলাই তার মূল লক্ষ্য, ব্যক্তিগত লক্ষ্যও একই, ব্যক্তিগত লক্ষ্য তো একটাই, ভালো খেলতে হবেযদি সুযোগ পাই তাহলে অবশ্যই চেষ্টা করবো দলকে কিছু দেওয়ার জন্যযেহেতু ভারতে এবারই আমাদের প্রথম, তো সবাই খুব রোমাঞ্চিতচেষ্টা করবো এটাকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যভারতের মাটিতে প্রথম ম্যাচ মনে রাখার মত কিছু করতে চাই।’

স্বাগতিক হিসেবে ভারতের উপরই চাপ ভর করে বেশি, এমনটাই ভাবছেন সৌম্য, এখান থেকে অনেক কিছু পাওয়ার আছে, চেষ্টা করবো কিছু যদি পাই তাহলে আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া হবেআর আমরাতো বাইরের কিছু পাবো নাআমাদের খেলেই কিছু নিতে হবেচেষ্টা করবো কিছু যদি আনতে পারিযেহেতু একটা ম্যাচ, এখানে তাদের চাপই বেশিযদি আমি সুযোগ পাই তাহলে দল যেন জিতে এমন কিছু করার চেষ্টা করব।’

শুরুতেই সৌম্যের স্বাক্ষর

নিউজিল্যান্ড সফরের শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে তামিম ইকবালের সতীর্থ বণে গেল সৌম্য সরকার। তামিম ইকবাল যেখানে ৪৬ টেস্ট খেলতে নামছে সেখানে সৌম্য নামছে ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্টে। ইনজুরি সমস্যায় ভুগতে থাকা টিম বাংলাদেশ যেন হারিয়ে খুজছে নিজেদের। শুরুর দায়িত্বটা তাই খুব বেশি ছিল টপ অর্ডারদের।

ক্রিস্টচার্চের এই হিম শীতল আবহাওয়ায় টসে হেরে ব্যাটিং এর আমন্ত্রন পায় বাংলাদেশ। দারুণ সুইং আর বাউন্সে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল টপ অর্ডারদের। দলের ৭ আর নিজের ৫ রানে যখন তামিম আউট হয়ে ফিরে যাচ্ছিল অপর প্রান্তে তখন ২ রানে অপলক দৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে সৌম্য। গত দেড় বছরের রান খড়ার মাঝে খুব বেশি বড় ইনিংস খেলতে পারেন নি। টিম ম্যানেজমেন্টের দেয়া বার বার সুযোগ পেয়েও নিজের খেলাটা আর হয়ে উঠে নি। কিন্তু সফরের শেষ ম্যাচে নীথর এক বাংলাদেশের কান্ডারি হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন সাউদি আর বোল্ডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। খেলেছেন এক অনবদ্ধ ইনিংস। তামিমের পর ভালোই সঙ্গ দিছিল মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু আবারো ছন্দ পতন । নিজের ১৯ রানে ফিরে ফিরে যান রিয়াদ। এরপর সাকিবকে নিয়ে টেনে যাচ্ছিল চিরচেনা সৌম্যরুপেই।

অনেকদিন পর বেশ আত্নবিশ্বাসী সৌম্যের চোখে মুখে যেন তৃপ্তির ছাপ। সাকিবকে সাথে নিয়েই প্রথম সেশন শেষ করলেন। ভালো বোঝাপড়ায় পার্টনারশিপও বাড়ছিল। কিন্তু ১১ চারে ১০৪ বলে ক্যাচ তুলে ৮৬ রানের যাত্রা শেষ করেন সৌম্য। ১৪ রানের আপেক্ষটা সকলের কাছে মনে হলেও তারচেয়ে বড় আক্ষেপ ছিল হয়ত তার কাছে। দলের নির্ভরযোগ্য তিন ব্যাটসম্যানের ইনজুরিতে অনেক দায়িত্ব নিয়ে ক্রিজে এসেছিলেন তিনি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে সাকিবের সাথে তোলেন ১২৭ রান। অসাধারন বল করতে থাকা বোল্ড আর সাউদির সামনে কঠিন পরীক্ষা দিতে হচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। শুরুতেই সৌম্যের এমন দাপুটে স্বাক্ষর হয়ত দলের মোট রানকে একটা সুবিধাজনক জায়গায় নিতে যেতে পারবে।

দুঃসময়ে সৌম্যের পাশে মাশরাফি

নেপিয়ারে মঙ্গলবার নিউ জিল্যান্ডের কাছে প্রথম টি-টোয়েন্টি ৬ উইকেটে হারার পর সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রতিনিধি হয়ে আসেন মাশরাফি। কথা বলতে হয় দলে সৌম্যর থাকার যৌক্তিকতা নিয়ে।

“আপনি যদি পরিসংখ্যান দেখেন, সবাই বিশ্বাস করে সৌম্য বাংলাদেশ দলের ম্যাচ উইনার। সে ম্যাচ জিতিয়ছেও। আমরা অনেকে এখনও ওর মতো ম্যাচ জেতাতে পারিনি। ওর ইতিহাস যদি দেখেন, এখনও ও এত ‘এক্সপেনসিভ’ না।”

এর আগে সৌম্যকে নিয়ে প্রায় একই কথা বলেছেন কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে।

“সৌম্য যখনই রান করেছে, আমরা ম্যাচ জিতেছি। এই কারণেই এখনও ওর ওপরে ভরসা রাখছি আমরা। এখনও ওর গড় চল্লিশের বেশি, স্ট্রাইক রেট একশ, বাংলাদেশে এরকম আর কে আছে? বিশ্ব ক্রিকেটেই কজন আছে! এই ছেলেটা খেলতে জানে। বিশ্ব ক্রিকেটের এখনকার সেরা ব্যাটসম্যানরা স্মিথ, রুট সবারই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একটু খারাপ সময় এসেছে, আবার দারুণভাবে ফিরে এসেছে। আমি আশা করি, সৌম্যও যত দ্রুত সম্ভব নিজেকে ফিরে পাবে।”

মাশরাফি মনে করেন, চেনা ছন্দে ফিরতে সৌম্যর সময় দরকার। এ দিন মঞ্চটা পেয়েছিলেনও তিনি। কিন্তু আউট হয়ে গেলেন শুরুতেই।

“আজকে সময় নিয়ে তারপর খেলতে পারতো। কিন্তু দুর্ভাগ্য আউট হয়ে গেছে প্রথম বলে। ওকে নিয়ে আমি এখনও আশাবাদী।”

নিউজিল্যান্ড সফরেও খারাপ সময় দূরে ঠেলে দিয়ে সৌম্য কি সেরা ছন্দে ফিরবেন

সৌম্যর বোলিংই প্রাপ্তি বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বাংলাদেশের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচের শুরুটা ভাল হল না। সিডনি সিক্সার্স রীতিমত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের পরীক্ষাই নিলো। তবে, বল হাতে নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছেন সৌম্য সরকার।

টসে জিতে বোলিংয়ে নেওয়া বাংলাদেশের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে নয় উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান করেছে স্বাগতিকরা। ড্যান হিউজ ৪৭, জেসন রয় ৪২ ও জর্ডান সিল্ক ৪৫ রান করেন।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পান মিডিয়াম পেসার সৌম্য সরকার। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন।

বাংলাদেশের হয়ে খেলতে নামেননি তিনজন নিয়মিত সদস্য সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মুস্তাফিজুর রহমান। সিডনি সিক্সার্স দলে অধিনায়ক ইয়োহান বোথা ছাড়াও আছেন শন অ্যাবট, স্যাম বিলিংস, ব্র্যাড হ্যাডিনের মত ক্রিকেটাররা।

আগামী শুক্রবার বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ বিগ ব্যাশের আরেক দল সিডনি থান্ডার। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর দুইটায়।

নিজেকে ফিরে পাওয়ার আর্তি সৌম্যর

যত সময় গড়াচ্ছে সৌম্য সরকারের ব্যর্থতার পরিমাণ ততই বাড়ছে। ব্যাট হাতে নিজেকে খুঁজেই চলেছেন বাঁহাতি এই বাংলাদেশ ওপেনার। কিন্তু চেনা ছন্দে ফেরা হচ্ছে না। চলতি বছরের শুরুতে খারাপ সময়ে পা রাখা সৌম্য পুরোটা বছর ছিলেন নিভে যাওয়া তারার ভূমিকায়।

মার্চে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সৌম্যর ব্যাটিং ব্যর্থতার শুরু। এরপর ঘরোয়া বা আন্তর্জাতিক যে টুর্নামেন্টে সৌম্য খেলেছেন, কেবল দীর্ঘশ্বাস বাড়িয়েছেন। অফ ফর্মের কারণে ইংল্যান্ড সিরিজে কোনো ম্যাচ খেলতে পারেননি। চলতি বিপিএল দিয়েও নিজেকে চেনা চেহারায় আবিষ্কার করতে পারেননি রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলা সৌম্য।

বিপিএলে ১২ ম্যাচ খেলে ১৩৫ রান করেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। এর মধ্যে সর্বোচ্চ করেছেন ২৬ রান। তবু তাকে নিউজিল্যান্ড সফরে বিবেচনায় নিয়েছে বাংলাদেশ দলের নির্বাচকরা। ২২ সদস্যের দলে আছেন সৌম্যও। অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশের ক্যাম্পে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার রাতে ১১ সদস্যের দলের সাথে বিমানে চড়বেন তিনিও।

দেশ ছাড়ার আগে নিউজিল্যান্ড সফরে নিজেকে ফিরে পাওয়ার আর্তির কথাই জানিয়ে গেলেন সৌম্য। তিনি বলেন, ‘যেহেতু বাংলাদেশের হয়ে খেলছি সেহেতু সবসময়ই চেষ্টা করি দেশকে কিছু দেয়ার জন্য। দেশকে কিছু দিতে গেলে আমার নিজেরও অনেক কিছু পাওয়া হয়। আমার যে ফর্ম যাচ্ছে সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আবার নিজের জায়গায় ফেরার চেষ্টা করব।’

সিরিজের আগে নিউজিল্যান্ডে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। এই প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে চান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। সৌম্য বলেন, ‘মাঠে যখন নামি তখন লক্ষ্যটা থাকে ভাল কিছু করার। এখন ভাল কিছু করতে পারলে আমার আত্নবিশ্বাসটা বাড়বে। চেষ্টা করব ভাল করার জন্য। নিজেকে আত্নবিশ্বাসী করে তোলার চেষ্টা করব। ওখানকার প্রস্তুতি ম্যাচে যদি লম্বা সময় ব্যাটিং করতে পারি সেটা আমার জন্যই ভালো হবে।’

বিপিএল ভালো যায়নি। নিউজিল্যান্ড সফরে নিজেকে ফিরে পেতে সতীর্থদের সমর্থণ কতটুকু পাবেন বলে মনে করেন? বাংলাদেশের হয়ে ৩ টেস্ট, ১৯ টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলা সৌম্য বলেন, ‘সব সময়ই তারা সাপোর্ট করে। আমিও চেষ্টা করছি নিজেকে ফিরে পেতে। সময়টা যেহেতু আমার খারাপ যাচ্ছে সেহেতু আমাকেই ফিরতে হবে। চেষ্টা করছি নিজেকে সেখান থেকে বের করার জন্য এবং নিজেকে ফিট করার জন্য।’

জাতীয় দলের চেনা সেই ড্রেসিং রুমে ফিরলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন বলেই বিশ্বাস সৌম্যর, ‘অবশ্যই ওই ড্রেসিং রুমে ঢুকলে অনুভুতিটা অন্যরকম হয়। আর সবাই যেহেতু চেনা মুখ, সবাই সাপোর্ট করে, উৎসাহ যোগায়। তাই আমি মনে করি তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু পাওয়ার আছে। এখন যে সময় যাচ্ছে তাতে ওনাদের সমর্থন পেলে মনে হয় ভাল হবে।’

সৌম্য-মিরাজের সামনে ইংলিশ কাউন্টি খেলার সুযোগ

ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেট খেলার সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার সৌম্য সরকার ও মেহেদি হাসান মিরাজ। ঐতিহ্যবাহী এই ক্রিকেট আসরে তাদের খেলার সুযোগ করে দিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন লন্ডন ভিত্তিক একটি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আতিক চৌধুরী।

বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারের প্রতি আগ্রহ আছে কাউন্টি দলগুলোর। দলগুলোর সাথে যোগাযোগ করে এই প্রতিষ্ঠানটি এই আগ্রহের কথা জানতে পারে। তারা এই দুই তরুনের ব্যাপারে বেশ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন বলেই বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন।

আপাতত দু’পক্ষের মধ্যে চলছে আলাপ-আলোচনার কাজ। সেই আলাপ ফলপ্রসু হলে শিগগিরই এই দুই ক্রিকেটারের কাউন্টি ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন পূরণ হবে।

এর আগে তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে দেখা গেছে কাউন্টি ক্রিকেটে। তারা হলেন – সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মুস্তাফিজুর রহমান। এর বাদে সম্প্রতি ইমরুল কায়েসেরও কাউন্টি ক্রিকেটে অংশ নেওয়ার গুঞ্জন শোনা গেছে।