Tag Archives: সাকিব আল হাসান

এক নম্বরের কৃতিত্বে ফেদেরারকেও ছাপিয়ে সাকিব

আবারও তিন ধরনের ক্রিকেটে এক নম্বরে সাকিব আল হাসান। এ কত বড় এক অর্জন নিচের পরিসংখ্যান ও তথ্যে মিলবে প্রমাণ—

* তিন ধরনের ক্রিকেটে একই সময়ে এক নম্বরে ওঠা একমাত্র অলরাউন্ডার। সাকিব এটি করে দেখিয়েছেন তিনবার।
* তিন ধরনের ক্রিকেটে একই সময়ে এক নম্বরে ছিলেন মোট ৩৮ সপ্তাহ। ওয়ানডে অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে ছিলেন ৩২৪ সপ্তাহ। টেস্টে ১৬৪ সপ্তাহ। টি-টোয়েন্টিতে ১০৫ সপ্তাহ।
* ওয়ানডে অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে সাকিবের ৩২৪ সপ্তাহ থাকার কৃতিত্ব বোঝা যাবে এই তথ্যে—জ্যাক ক্যালিস একে ছিলেন ২০৩ সপ্তাহ, শন পোলক ১৩৮ সপ্তাহ, অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ ১১৩ সপ্তাহ।
* রজার ফেদেরার একে ছিলেন ২৩৭ সপ্তাহ, সেরেনা উইলিয়ামস এক নম্বরে ছিলেন ৩১৬ সপ্তাহ।
* টেস্ট অলরাউন্ডার হিসেবে ১৬৪ সপ্তাহ এক নম্বরে থাকা সাকিবের পেছনে আছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (১০২ সপ্তাহ), ওয়াসিম আকরাম (১৫ সপ্তাহ) ও ফ্লিনটফ (৭ সপ্তাহ)।
* অবশ্য এই টেস্ট অলরাউন্ডার হিসেবে এক নম্বরে থাকার কৃতিত্বে সাকিবের আগে আছেন ইমরান খান (১৯৭ সপ্তাহ), ইয়ান বোথাম (২৩৭ সপ্তাহ) ও রিচার্ড হ্যাডলি (৩০৮ সপ্তাহ)।
সূত্র: ক্রিকইনফো।

নেতৃত্বের জয়ে সাকিবকে ছাড়িয়ে ‘অধিনায়ক’ মাশরাফি

শনিবার ডাম্বুলার রানগিরি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তামিম ইকবালের ১২৭, সাকিব আল হাসানের ৭২ ও সাব্বির রহমানের ৫৪ রানে ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ৩২৫ রানের বড় লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ। রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশি বোলারদের দাপুটে বোলিংয়ে ২৩৪ রানেই গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা। ফলে ৯০ রানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মাশরাফিবাহিনী।

এটা ছিল সীমিত ওভারে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফির ২৪তম জয়। এর আগে অধিনায়ক হিসেবে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জয় পেয়েছিল ২৩টি ম্যাচে। তবে বাঁ-হাতি এই অলরাউন্ডার বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৪৯ ম্যাচে। যেখানে জয়ের সংখ্যায় অধিনায়ক মাশরাফি তাকে ছাড়িয়ে গেলেন মাত্র ৩৮ ম্যাচেই।

আবেদন জানাচ্ছেন সীমিত ওভারে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি। ছবি: সংগৃহীত

৬৯ ওয়ানডেতে ২৯টি জয় নিয়ে বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। এছাড়া মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বে ৩৭ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ১১টি। ৩৮ ম্যাচে ২৪ জয় তুলে নিয়ে মাশরাফি এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক।

তবে একটি জায়গায় অধিনায়ক মাশরাফি আর সবাইকে ছাড়িয়ে। সাফল্যের হারের দিক থেকে ৩৩ বছর বয়সী এই অধিনায়কের ধারে কাছে কেউ নেই। মাশরাফির সাফল্যের হার ৬৩.১৫ শতাংশ। ৪৬.৯৩ শতাংশ সাফল্য নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব।

সমর্থক শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাকিবের ধন্যবাদ

৩০তম জন্মদিন পার করে ভক্ত, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভালোবাসায় সিক্ত সাকিব আল হাসান। জন্মদিনে তাঁর স্বীকৃত ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসার জবাব দেন তিনি।

Shakib Al Hasan নামের নিজস্ব পেইজ থেকে দেওয়া বার্তায় সাকিব লিখেন, বিগত বছর অসাধারণ ছিলো আমার জন্যআমাদের শুভাকাঙ্খী, ভক্ত এবং পার্টনারদের অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের পাশে থাকার জন্য আগামী বছরেও আমাকে আর আমার পরিবারকে আপনারা সমর্থন দিবেন এই আশা থাকলো।

লঙ্কানদের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ দল এখন অবস্থান করছে শ্রীলঙ্কায়। সেখানেই সতীর্থদের সাথে নিজের ৩০তম জন্মদিন উদযাপন করেন সাকিব।

সাকিব আল হাসানকে বর্তমান সময়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে টেস্ট, ওয়ানডে, টি২০- তিন ফরম্যাটেই ১ নম্বর অলরাউন্ডার হিসেবে আইসিসির তালিকার শীর্ষে থাকা সাকিবকে অনেকেই ধরে নেন সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে এখন পর্যন্ত ৪৯টি টেস্ট, ১৬৬টি ওয়ানডে ও ৫৭টি টি২০ ম্যাচে অংশ নিয়েছেন তিনি। এছাড়া বিশ্বের জনপ্রিয় ঘরোয়া লীগগুলোতে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন নিয়মিতই।

শীর্ষ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান

শততম টেস্টের জয় যেন একের পর এক সুখবর এনে দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে শীর্ষ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ টেস্টের পারফরম্যান্স দিয়ে সাদা পোশাকেও সেরা অলরাউন্ডারের স্থানটা দখল করেছেন।

অর্থাৎ, সেরার মুকুটে শেষ পালকটিও নিজ হাতে গুঁজে নিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এই বিজ্ঞাপন। তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি তিন ফরম্যাটেই অলরাউন্ডার হিসেবে শীর্ষস্থান দখলে রেখেছেন।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত সর্বশেষ র‍্যাংকিং অনুযায়ী ভারতীয় অলরাউন্ডার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে পেছনে ফেলে টেস্টে সেরা অলরাউন্ডারের মুকুট পুনরুদ্ধার করেছেন সাকিব।। সাকিবের পয়েন্ট ৪৩১, অশ্বিনের ৪০৭। তিন নম্বরে রয়েছেন আরেক ভারতীয় রবীন্দ্র জাদেজা।

শুধু অলরাউন্ডারই নয়, বোলার ও ব্যাটসম্যানের র‌্যাংকিংয়েও উন্নতি হয়েছে সাকিবের। পি সারা ওভালে সেঞ্চুরি করা সাকিব পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২১ নম্বরে উঠে এসেছেন। বোলিংয়ে ছিলেন ১৮ নম্বরে। নতুন অবস্থান ১৭ তে।

ওয়ানডে সিরিজের আগে ছুটিতে সাকিব-তামিম

নিজেদের শততম টেস্ট জিতে নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ড্র করেছে বাংলাদেশ। আগামী ২৫ মার্চ থেকে শুরু হবে লঙ্কানদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ। সীমিত ওভারের এই লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে ছুটিতে গেলেন সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল।

সাকিবের স্ত্রী শিশির আগে থেকেই শ্রীলঙ্কাতে আছেন। স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেই ছুটি নিয়েছেন সাকিব। অন্যদিকে নিজের জন্মদিনের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ছুটি নিয়ে মুম্বাই উড়ে গেছেন তামিম।

সাকিব-তামিমের ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন।

ওয়ানডে সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ২২ তারিখ মাঠে নামবে সফরকারীরা। তার আগেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন সাকিব-তামিম।

আগামী ২৫ মার্চ ডাম্বুলায় প্রথম ওয়ানডে দিয়ে মাঠে গড়াবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে। আগামী ১ এপ্রিল সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ওয়ানডেতে কলম্বোর পি সারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হবেন সাকিব-তামিম-মুশফিকরা।

একই টেস্টে বোলিংয়ে সাকিবের ‘দুইশতক’

প্রথম ইনিংসে ৩২.১ ওভারে ১০০ রান ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫ ওভারে ১০৪ রান। এটাই শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশের মধ্যকার সদ্য শেষ হওয়া গল টেস্টের সাকিব আল হাসানের বোলিং ফিগার। ক্রিকেট ক্যারিয়ারে এটাই সাকিবের একই টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি, তাও বোলিংয়ে।

প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কাকে ৪৯৪ রানে থামাতে পেরেছে বাংলাদেশের বোলাররা। তবে সেখানে বোলার সাকিবের কৃতিত্ব খুব একটা চোখেই পড়েনি। ১০০ রানের বিনিময়ে উইকেট পেয়েছেন মাত্র একটি। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৪ রানের বিনিময়ে দুই উইকেট। একদিন বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও মাত্র চার দিনেই বাংলাদেশ ম্যাচ হেরে যায় ২৫৯ রানের বিশাল ব্যবধানে।

বাংলাদেশের স্পিনারদের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো কেউ এই রেকর্ড করলো। এর আগে দুই ইনিংসেই রান দেওয়ার সেঞ্চুরি আছে স্পিনার আব্দুর রাজ্জাকের। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে ১৪৭ ও ১১৬ রান দিয়েছিলেন তিনি।

এবারই প্রথম একই ম্যাচের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি দিলেও ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে ২১ ইনিংসে একশ বা এর বেশি রান দিয়েছেন তিন ফরম্যাটেই সেরা এই অলরাউন্ডার। বাংলাদেশের স্পিন বোলারদের মধ্যে সাকিবের পরেই আছেন মোহাম্মদ রফিক। তার দেওয়া সেঞ্চুরির সংখ্যা ১৭।

তবে সব মিলিয়ে স্পিনারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বার শতরান দিয়েছেন শ্রীলঙ্কান স্পিন কিংবদন্তী মুত্তিয়া মুরালিধরন। তিনি মোট ৬১ বার একশতর উপরে রান দিয়েছেন। ভারতের বর্তমান কোচ অনিল কুম্বলে দিয়েছেন ৫৭ বার। আরেক ভারতীয় হরভজন সিং ৪৩ বার, অস্ট্রেলিয়ার লেগস্পিন কিংবদন্তী শেন ওয়ার্ন ৪০ বার, পাকিস্তানি দানিশ কানেরিয়া ৩৯বার সেঞ্চুরি সংখ্যক রান দিয়েছেন।

পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে এই শতরান দেওয়ার মধ্যে সবার উপরে আছেন ইয়ান বোথাম, ৩১ বার। ভারতীয় কপিল দেব ২৫। বাংলাদেশের পেসাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিবার শতরান দিয়েছেন সীমিত ওভারের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তার এই ইনিংসের সংখ্যা ১০।

আবারও সাকিব ‘নাম্বার ওয়ান’

এই অভিজ্ঞতা সাকিব আল হাসানের আগেও হয়েছে—ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই হয়েছেন শীর্ষ অলরাউন্ডার। আইসিসির সর্বশেষ র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী আবারও বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার হয়েছেন সাকিব।

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে শীর্ষ অলরাউন্ডার আগ থেকেই ছিলেন সাকিব। তবে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ অলরাউন্ডারের জায়গাটা হারিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিনের কাছে। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চলতি সিরিজে ব্যাট হাতে ভালো করতে পারছেন না ভারতীয় অফ স্পিনারের। ৪ ইনিংসে করেছেন মাত্র ২০ রান। ব্যাটিংয়ে অশ্বিনের বাজে পারফরম্যান্সই শীর্ষে উঠতে সহায়তা করেছে সাকিবকে।
অন্যের বাজে পারফরম্যান্সে টেস্টের শীর্ষ জায়গাটা ফিরে পেয়েছেন সাকিব। গল টেস্টে দুর্দান্ত কিছু এবার নিশ্চয়ই জায়গাটা ধরে রাখতে চাইবেন ৪৭ টেস্ট, ১৬৬ ওয়ানডে ও ৫৭ টি-টোয়েন্টি খেলা বাঁহাতি অলরাউন্ডার। সূত্র: আইসিসি।

পাকিস্তানে খেলতে চান সাকিব

বাংলাদেশের সেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান সর্বশেষ পাকিস্তানে খেলেছিলেন ২০০৮ সালে। এদিকে চলতি পাকিস্তান সুপার লিগে সাকিবের দল পেশোয়ার জালমি প্লে-অফে চলে গেছে।  পিএসএলের ফাইনাল পাকিস্তানের লাহোরে হবার কথা রয়েছে। তবে সাকিবের দল ফাইনালে উঠলেও খেলা হবে না এই অল-রাউন্ডারের। জাতীয় দলের খেলা থাকায় সাকিবকে পাবে না পেশোয়ার। তবে সাকিব ভবিষ্যতে পাকিস্তানে খেলতে যাবার বাসনার কথা জানিয়েছেন ।

 

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের সাথে কথোকথনে সাকিব বলেন, ” আমি সর্বশেষ ২০০৮ সালে পাকিস্তানে খেলেছি। সেটা অনেক ভালো অভিজ্ঞতা ছিলো। সেখানের মাঠ, পরিবেশ, দর্শক, ভক্ত অসাধারণ। পাকিস্তানে সবকিছু ঠিক হলে আমি আবার খেলতে চাই।” 

পিএসএল পাকিস্তানের লিগ হবার পরেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সাকিব মনে করেন, পিএসএল পাকিস্তানে হলে আরো বেশি উম্মাদনা তৈরী হবে। এই প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, “যদি পিএসএল পাকিস্তানে হতো তাহলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের থেকে অনেক বেশি উম্মাদনা ও উত্তেজনা থাকতো। বর্তমান পাকিস্তানের পরিবেশ অনেক কঠিন কিন্তু আমি আশা করি একদিন সব ঠিক হবে। পাকিস্তান আগের মতো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট ও সিরিজ আয়োজন করতে পারবে।”

এছাড়া পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সাথেও ভালো রসায়নের কথা জানান সাকিব, “পাকিস্তানী ক্রিকেটারদের সাথে আমাদের রসায়ন অসাধারণ। আমার মনে হয়, আমি হোম টিমের সাথে খেলছি। কখনোই মনে হয় এটা বিদেশী দল।”

উল্লেখ্য, সাকিব ছাড়াও এবারের পিএসএলে তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ খেলেছিলেন।

মোস্তাফিজ-সাকিবের কারণে চাপে থাকবে শ্রীলঙ্কা!

পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে রবিবার দুপুরে শ্রীলঙ্কা রওনা হচ্ছে টাইগাররা। ৭ মার্চ গলেতে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। শ্রীলঙ্কার মাটিতে এবার টেস্ট জয়ের হিসেব কষছে বাংলাদেশ। সেই আশার কথাই শুনিয়েছেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তিনি মনে করেন, দলে মোস্তাফিজ ও সাকিব আল হাসানের মতো বোলার থাকায় দেশের মাটিত উল্টো চাপে থাকবে শ্রীলঙ্কা। মানে শ্রীলঙ্কা সফরে এ দুই তারকাকে দলের তুরুপের তাস মনে করছেন টেস্ট অধিনায়ক।

মুশফিক বলেন,‘ আমি বলতে চাই  মোস্তাফিজ, সাকিব, মিরাজের কারণে চাপে থাকবে প্রতিপক্ষ দল। তাছাড়া আরেকটা ইতিবাচক দিক হলো, আমরা অল্প সময়ের মধ্যে আমরা টানা তিনটি টেস্ট সিরিজ খেলছি।’

মুশফিক মনে করেন, নিউজিল্যান্ড সফরের তুলনায় চেয়ে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দলের বোলিং বেশি শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন,‘ আমি বিশ্বাস করি নিউজিল্যান্ড সফরের চেয়ে শ্রীলঙ্কায় আমাদের বোলিং আরো বেশ শক্তিশালী হবে। ওদের ২০ উইকেট নেওয়ার মতো বোলিং শক্তি আমাদের আছে। তবে হ্যাঁ, আমরা ব্যাটিংয়ে যেমমটা উন্নতি করেছি, বোলিংয়ে ততটা করতে পারিনি।’

দুই ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পর ওয়ানডে সিরিজ মাঠে গড়াবে ২৫ মার্চ ।  ২৮ মার্চ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে হবে ডাম্বুলাতেই। তৃতীয় ওয়ানডে ১ এপ্রিল কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে। ৪ ও ৬ এপ্রিল কলম্বোর রানাসিংহে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে দুটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

রাতে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সাকিব-তামিমের মুখোমুখি মাহমুদউল্লাহ

জমে উঠেছে পাকিস্তান সুপার লীগের (পিএসএল) দ্বিতীয় আসর। এখন পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ লড়াই দেখেছে টুর্নামেন্টটি। গত রাতেও রুদ্ধশ্বাস একটি ম্যাচের সাক্ষী হয়েছে পিএসএল। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে মাত্র ১ রানের নাটকীয় জয় পেয়েছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।

তবে সেই পরাজয়ের গ্লানি ভুলে আজ আবারো মাঠে নামতে হচ্ছে কোয়েটাকে। আজ তাদের প্রতিপক্ষ সাকিব -তামিমের পেশওয়ার জালমি। গতকাল দিনের প্রথম ম্যাচে ব্র্যান্ডন ম্যাককালামের লাহোর কালান্দার্সকে ১৭ রানে হারিয়েছিলো তামিম-সাকিবের পেশওয়ার। সুতরাং রিয়াদের দলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুরই থাকবে তারা।

এদিকে এই ম্যাচের মাধ্যমে চলতি আসরে দ্বিতীয়বারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সাকিব-তামিম এবং মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশ সময় রাত ১০ টায় দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

ইতিমধ্যে ৭ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে অবস্থান করছে রিয়াদের কোয়েটা। অপরদিকে সমান সংখ্যক ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আছে সাকিব-তামিমের পেশওয়ার। চলতি পিএসএলে এখন পর্যন্ত ব্যাট হাতে খুব একটা ভালো করতে পারেননি বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা সাকিব এবং মাহমুদউল্লাহ। ৫ ম্যাচে মাত্র ৩৭ রান করেছেন রিয়াদ।

সাকিবের ব্যাট থেকে এসেছে ৪ ম্যাচে ৫৩ রান। আর টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল প্রথম ম্যাচে অর্ধশতক হাঁকানোর পর কোথায় যেন হারিয়ে গেছেন। এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচে ৮৭ রান সংগ্রহ তাঁর।
তবে ব্যাট হাতে আশানুরূপ পারফর্মেন্স করতে না পারলেও বল হাতে ভালোই করছেন সাকিব। ৪ ম্যাচে ১৩ গড়ে ৪টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি। অন্যদিকে ৫ ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।