Tag Archives: ভারত

মুহূর্তে ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়া-ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ

ওয়ানডে ফরম্যাটে গত ক’বছরে বেশ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জায়গা করে নিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের সাত নম্বর অবস্থানে। মজার ব্যাপার হলো, সাতে থাকলেও পরিসংখ্যান বলছে এই মুহূর্তে ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়া-ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ২০১৫ সালের আসরের পর, ওয়ানডে ক্রিকেটে জয় পরাজয়ের অনুপাত হিসেব করে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় সেরা দল। ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর যে দলগুলো কমপক্ষে ২০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে , সে দল গুলোর খেলা ম্যাচের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে।

এই জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ পিছনে ফেলেছে ভারত ,পাকিস্তান এমনকি অস্ট্রেলিয়াকেও। বিশ্বকাপের পর থেকে এই পর্যন্ত ২২টি ওয়ানডে খেলে ১৪টিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। হেরেছে আটটি ম্যাচে। জয়-পরাজয়ের অনুপাত ১.৭৫০ নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।

৩৮ টি ওয়ানডে খেলে ২৫টিতে জয় ও ১২টিতে পরাজয় নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের জয়-পরাজয়ের অনুপাত ২.০৮৩। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইংল্যান্ডের জয়-পরাজয়ের অনুপাত ১.৭৬৯।

২০১৫ বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ দলের চেহারাটাই যেন বদলে গিয়েছে। বিশেষ করে ওয়ানডে ফরম্যাটে। বিশ্বকাপ মিশন শেষ করে এসে ঘরের মাঠে টানা পাঁচটি ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। সিরিজ জিতেছে পাকিস্তান,ভারত ,দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। বিশ্বকাপের পর থেকে এই পর্যন্ত খেলা সাতটি সিরিজের মধ্যে কেবল দুটিতে হেরেছে বাংলাদেশ।

গেল শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৯০ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজের পরের দুটি ম্যাচ জিততে পারলে ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের ষষ্ঠ অবস্থানে উঠে আসবে বাংলাদেশ।

২০১৫ বিশ্বকাপের পর ওয়ানডে ফরম্যাটে জয়-পরাজয়ের অনুপাত (কমপক্ষে ২০টি ওয়ানডে খেলা দল)

দল              ম্যাচ      জয়   পরাজয়    টাই     ফল হয়নি   জয়-পরাজয়ের অনুপাত

 

দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৮      ২৫      ১২         ০          ১                 ২.০৮৩

ইংল্যান্ড           ৩৯       ২৩      ১৩         ১           ২                  ১.৭৬৯

বাংলাদেশ        ২২        ১৪        ৮         ০          ০                     ১.৭৫০

অস্ট্রেলিয়া       ৪২        ২৫       ১৬        ০           ১                   ১.৫৬২

আফগানিস্তান  ২৯        ১৬       ১২        ০           ১                   ১.৩৩৩

ভারত              ২৭        ১৫        ১২        ০           ০                   ১.২৫০

নিউজিল্যান্ড    ৩৯       ২১         ১৭        ০           ১                    ১.২৩৫

পাকিস্তান        ৩৪        ১৪         ১৯       ০           ১                    ০.৭৩৬

শ্রীলঙ্কা           ৩৬       ১২         ২০        ১          ৩                     ০.৬০০

আয়ারল্যান্ড     ২১       ৭           ১৩        ০           ১                      ০.৫৩৮

জিম্বাবুয়ে         ৪১       ১১          ২৭         ১          ২                     ০.৪০৭

 

ওয়েস্ট ইন্ডিজ   ২০       ৪          ১৫         ১          ০                     ০.২৬৬

সূত্রঃ ক্রিকইনফো

‘কোহলির প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলছি’ইয়ান হিলি

মাঠে কোহলির আগ্রাসী মনোভাবটা ভালো লাগছে না অনেকেরই। ছবি: এএফপিমাঠে কোহলির আগ্রাসী মনোভাবটা ভালো লাগছে না অনেকেরই। কদিন আগেও বিরাট কোহলি ছিলেন সপ্তম স্বর্গে। হঠাৎই যেন নেমে এসেছেন মাটিতে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চলতি সিরিজে তিন ইনিংসে ভারতীয় অধিনায়কের রান ২৫। ইনিংস লম্বা হচ্ছে না। তার চেয়ে বেশি চোখে লাগছে কোহলির আউটের ধরন। ভারতের সমর্থকদের প্রার্থনা, দ্রুত স্বরূপে ফিরবেন কোহলি। তবে মাঠে কোহলি আছেন সেই চিরচেনা আগ্রাসী চেহারাতেই। ভারতীয় অধিনায়কের এই রূপ নিয়ে বিরক্ত অস্ট্রেলিয়ার সাবেক খেলোয়াড়দের অনেকেই।কোহলির ব্যাটিংয়ের কারণে তাঁর অন্য রকম একটা শ্রদ্ধাবোধ আছে। তবে মাঠে আচরণের কারণে কোহলির প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক উইকেটকিপার ইয়ান হিলির সেই শ্রদ্ধা নাকি কমতে শুরু করেছে। বেঙ্গালুরুতে ব্যাট-বলের লড়াইয়ের সঙ্গে জমে উঠেছে কথার লড়াইও। দ্বিতীয় দিন সকালের সেশনে স্মিথকে ভেংচি কেটেছিলেন ভারতের পেসার ইশান্ত শর্মা। এ নিয়ে স্মিথের আর কোহলির বাতচিতও হয়েছে। কোহলি পরেও কয়েকবারই মুখোমুখি হয়েছেন দুজন। স্মিথের সঙ্গে কথা বলার সময় কোহলির আগ্রাসী ভাবটা ভালোভাবে নেননি হিলি। ১১৯ টেস্ট খেলা সাবেক এই অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মনে হয়েছে এতে প্রতিপক্ষকে অসম্মান করা হয়, ‘তার (কোহলি) প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলছি। সে শুধু অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড় ও আম্পায়ারকে অসম্মান করছে না, নিজের সতীর্থদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। আগেও বলেছি, আমার দেখা সেরা ব্যাটসম্যান সে। তার আগ্রাসী মানসিকতাও দারুণ, বিশেষ করে সে যখন অধিনায়ক ছিল না।’
গত দুই বছরে ঘরের মাঠে ভারতের টানা সাফল্যে প্রশংসিত হয়েছে কোহলির আগ্রাসন। তবে হিলি মনে করেন, ভারতীয় অধিনায়কের এই মনোভাব এখন আর কাজে দিচ্ছে না, ‘কোহলির আক্রমণাত্মক মনোভাব তাদের (ভারতীয় দল) জন্য ভালো ছিল। আমি মনে করি, এখন আর এটি কাজে লাগছে না। এটা বরং সতীর্থদের চাপে ফেলে দিচ্ছে। এই চাপটা আপনি অশ্বিনের মুখেও দেখে থাকবেন। স্টিভ স্মিথের সঙ্গে সে যা করেছে সেটা গ্রহণযোগ্য নয়।’
তবে হিলির সঙ্গে একমত নন অস্ট্রেলিয়ার আরেক সাবেক ক্রিকেটার সাইমন ক্যাটিচ। ৫২ টেস্ট খেলা সাবেক এই অস্ট্রেলীয় বাঁহাতি ওপেনার বরং এটাকে ইতিবাচকই মনে করছেন, ‘তারা দুজন (স্মিথ-কোহলি) দারুণভাবে সব সামলাচ্ছে। মেজাজ হারানোর মতো অনেক কিছুই হয়েছে মাঠে। ভারত উইকেটের জন্য মরিয়া ছিল। তারা জানে, স্মিথের উইকেটটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্মিথও বিষয়টা সামলেছে ভালোভাবেই। আম্পায়ারও ভালোভাবে সামলেছে। দুই অধিনায়কও কৃতিত্ব পাবে। ঘটনাটা দ্রুতই নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যেতে পারত।’ সূত্র: ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

ভারতকে শোচনীয়ভাবে হারালো অস্ট্রেলিয়া

পুনে টেস্টের তৃতীয় দিনেই টেস্ট র‍্যাঙ্কিং এর এক নম্বর দল ভারতকে শোচনীয়ভাবে হারালো দুই নম্বরে থাকা অস্ট্রেলিয়া। ৩৩৩ রানের বিশাল ব্যবধানে স্বাগতিকদের হারিয়েছে তারা। জয়ের জন্য ভারতকে ৪৪১ রানের টার্গেট দিয়েছিলো অস্ট্রেলিয়া। তবে ১০৭ রান করেই হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়ে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন।

প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে ভারত। অজি স্পিনার ও’কেইফি ও নাথান লায়ানের আক্রমনে দিশেহারা হন রাহুল, কোহলি, রাহানেরা। কেবল পুজারা ৩১ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া আর কেউ ২০ রান ছুতে না পারায় ১০৭ রানে ইনিংস শেষ হয় ভারতের। ও’কেইফি একাই তুলে নেন ৬ উইকেট। বাকী ৪ উইকেট নেন লায়ন।

স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ২৬০ ও ২৮৫
ভারত ১০৫ ও ১০৭

আগের দিনে ৪ উইকেটে ১৪১ রান নিয়ে দিন শুরু করেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান স্টিভ স্মিথ ও মিচেল মার্শ। মার্শ বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। জাদেজার বলে ফিরেছেন ৩১ রানে। দ্রুত ফিরেছেন মাথিউ ওয়েড-ও। তবে ক্যারিয়ারের ১৮তম সেঞ্চুরি তুলে নেন স্মিথ। জাদেজার বলে আউট হন ১০৯ করে। এরপর দ্রুত বাকি তিন উইকেট হারায় অজিরা। ফলে ২৮৫ রানে অল আউট হয় তারা।

ভারতের রবিচন্দন অশ্বিন নিয়েছেন চার উইকেট। এরআগে ও’কেইফির বোলিং ঘুর্ণিতে মাত্র ১০৫ রানে প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয় ভারত। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে করে ২৬০ রান।

ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা নির্বাচিত হলেন যারা

শুক্রবার ১৩ বিভাগে বর্ষসেরা পুরষ্কার ঘোষণা করেছে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো। ১৩ বিভাগের মধ্যে ছয়টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন বাংলাদেশের ছয় ক্রিকেটার। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছেন দু’জন।

২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অসাধারণ বোলিংয়ে টি-টোয়েন্টির বর্ষসেরা বোলার নির্বাচিত হন মুস্তাফিজুর রহমান। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচে মাত্র ২২ রান খরচায় পাঁচ উইকেট তুলে নেন জাতীয় দলের বাঁহাতি এই পেসার। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৪৫ রানের বেশি করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড।

এছাড়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বর্ষসেরা অভিষিক্ত ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ। ইংলিশদের বিপক্ষে দুই টেস্টে রেকর্ড ১৯ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার পুরষ্কার জেতেন মিরাজ। অভিষেক সিরিজেই চমক দেখিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা অভিষিক্ত ক্রিকেটার।

‘ক্রিকইনফো’ নির্বাচিত অন্যান্য বিভাগের বর্ষসেরা পুরষ্কার জয়ীদের নাম সংক্ষেপে তুলে ধরা হল:

১. বর্ষসেরা অধিনায়ক : বিরাট কোহলি (ভারত)

২. বর্ষসেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান : বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)

৩. বর্ষসেরা টেস্ট বোলার : স্টুয়ার্ট ব্রড (ইংল্যান্ড)

৪. বর্ষসেরা ওয়ানডে ব্যাটসম্যান : কুইন্টন ডি কক (দক্ষিণ আফ্রিকা)

৫. বর্ষসেরা ওয়ানডে বোলার : সুনীল নারাইন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

৬. বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান : কার্লোস ব্রার্থওয়েট (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

৭. বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি বোলার : মুস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ)

৮. বর্ষসেরা অভিষিক্ত ক্রিকেটার : মেহেদি হাসান মিরাজ (বাংলাদেশ)

৯. বর্ষসেরা  অ্যাসোসিয়েট ব্যাটসম্যান : মোহাম্মদ শাহজাদ (আফগানিস্তান)

১০. বর্ষসেরা অ্যাসোসিয়েট বোলার : মোহাম্মদ নবী (আফগানিস্তান)

১১. বর্ষসেরা নারী ব্যাটসম্যান : হ্যালি ম্যাথিউস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

১২. বর্ষসেরা নারী বোলার : লেই কেসপেরেক (নিউজিল্যান্ড)

১৩. বর্ষসেরা স্ট্যাটসগুরু অ্যাওয়ার্ড : বিরাট কোহলি (ভারত)

সূত্র: ক্রিকইনফো

ক্রিকেটারকে গুলি করে হত্যা, ভিডিও ভাইরাল

 

ভারতের দিল্লীতে স্থানীয় এক ম্যাচের পর সেখানকার ক্রিকেটারকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৪ বছর বয়সী ক্রিকেটারকে গুলি করে হত্যার বিষয়টি ধরা পড়ে সিটসিটিভি ফুটেজ। সেই ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে।

ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লীর চাওয়ালা থানার এক এলাকায়। স্থানোয় এক ক্রিকেট ম্যাচ খেলে ফেরার সময় হত্যা করা হয় দীনেশ নামের সেই ক্রিকেটারকে। ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় স্কুটারে করে যাচ্ছিলেন দীনেশ। তিনি বসেছিলেন স্কুটারের পেছনে। তার সামনে একটি বাইক থামানো হয়। বাইক থেকে এক যুবক নেমে আসেন দুই হাতে পিস্তল নিয়ে। তারপর দীনেশের মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায় বাইকে করে। আতঙ্কে স্কুটার নিয়ে চলে যায় চালক।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুসারে রোবিবার রোশনাপুরে এক ক্রিকেট ম্যাচ খেলে আসছিলো দীনেশ। টিওআইকে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন অভিযুক্তদের চিহ্নিত করেছেন পুলিশ। শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে তাদের। কলকাতার সংবাদমাধ্যম এবেলা জানিয়েছে খেলার মাঠে একজনের সাথে বাদানুবাদ হয়েছিলো দীনেশের। সেই উত্তপ্ত বাক্যবিনিমিয়ের জেরেই হয়তো ঘটেছে এ হত্যাকাণ্ড।

জাতীয় এক সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এবেলা আরো জানিয়েছে, ক্রিকেট মাঠে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারপিট হয়। মারপিটের সময় দুইজনের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেন দীনেশ। মোবাইল ফেরত চাইলেও দিতে নারাজ হন দীনেশ। এ ঘটনার কয়েকঘণ্টা পরই হত্যা করা হয় তাকে।

ও’কিফের বাঁ আর হ্যান্ডসকম্বের ডান হাতে ভারত ধ্বংসস্তূপ!

সিরিজ শুরুর আগে অনেক পরিকল্পনাই করেছে ভারত। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং-বোলিং দেখা হয়েছে আতশকাচের নিচে। কিন্তু এতেও কোনো লাভ হলো না। শত শত সমীকরণেও যে পিটার হ্যান্ডসকম্বের ডান হাতের হিসাবটা ছিল না! হ্যান্ডসকম্বের হাতেই লেখা হলো ভারতের সর্বনাশ, ৮ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপ সময়ের সেরা ব্যাটিং লাইনআপ। আর স্টিভ ও’কিফের ৬ উইকেটে ১০৫ রানেই অলআউট ভারত!

বিভ্রান্ত হবেন না। পিটার হ্যান্ডসকম্ব বোলিং করেননি। রাজ্যদলে উইকেটকিপিং করা এই ব্যাটসম্যান সব ধরনের ক্রিকেট মিলেই শখ করে ১২ বল করেছেন। কিন্তু তাতে কী? অবিশ্বাস্য একটা ডান হাত তো আছে তাঁর! কী সব দুর্দান্ত ক্যাচ ধরলেন! উইকেটগুলো তো তাঁরই!
স্টিভ ও’কিফের একটি ঘূর্ণি অজিঙ্কা রাহানের ব্যাট ছুঁয়ে গেল স্লিপে। সেটা অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতায় হ্যান্ডসকম্ব পুড়ে নিলেন মুঠোয়। সে ক্যাচটা এতটাই দুর্দান্তভাবে ধরেছেন, ডানদিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরও হাতের ওপরের অংশটা মাটির ছোঁয়া পেল না!
একটু পরে নাথান লায়নের বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের রক্ষণাত্মক শটটা জুতোয় পড়ে আস্তে করে আবারও নেমে আসছিল উইকেটে। সিলি মিডঅনে দাঁড়ানো হ্যান্ডসকম্বের জন্য ওটুকুই যথেষ্ট। আবার ঝাঁপিয়ে পড়লেন, ছোবল দিয়ে উঠল তাঁর ডান হাত। আবারও টিভি আম্পায়ারের শরণ নিয়েও বিরস মুখে মাঠ ছাড়লেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান।
অবশ্য ভারতের পতনের সূচনাটা করেছেন লোকেশ রাহুল। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলছিলেন, অসাধারণ স্ট্রোক-প্লেতে মুগ্ধ করে দিচ্ছিলেন। হঠাৎই কী মনে হলো, ৩৩ ওভারের দ্বিতীয় বলে লং অফ দিয়ে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে মাঠের অর্ধেকটা পার করতে পারলেন। সে শট খেলে উল্টো যেভাবে কাঁধ চাপড়ে ধরলেন তাতে পরের ইনিংসেও ব্যাট করতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে না।
এক বল পরেই রাহুলের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়া রাহানে ফিরেছেন, হ্যান্ডসকম্বের সে ক্যাচে। ওভারের শেষ বলে ঋদ্ধিমান সাহাও গেলেন! পুরো সকাল ধরে বাজে বোলিং করা ও’কিফ এক ওভারেই নিলেন ৩ উইকেট!
পরের ওভারেই আবারও হ্যান্ডসকম্বের হাত ধরে ফিরেছেন অশ্বিন। ৩ উইকেটে ৯৪ রান থেকে ভারতের স্কোর ৯৫/৭! সেটা ও’কিফের বাঁহাতি স্পিনে ১০৫ রানে অলআউট লিখতে সময় লাগল না। গত এক যুগে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এত কম রানে ভারত অলআউট হয়নি। ২০০৪ সালে মুম্বাইয়ের ভয়ংকর পিচে ১০৪ রানে অলআউট হয়েছিল। সে টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেই ৯ রানে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন মাইকেল ক্লার্ক। আর আজ ও’কিফ ৬ উইকেট পেলেন ৩৫ রানে। শেষ ৫ রান ও ২৪ বলেই এসেছে সে ৬ উইকেট!
টানা তিন টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৬০০ পেরোনো ভারত আজ শেষ হয়ে গেল ১০৫ রানেই! নিজেদের মাঠে এর কম রানে মাত্র ১০বার অলআউট হয়েছে তারা!
অস্ট্রেলিয়াও অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম ওভারেই হারিয়েছে ডেভিড ওয়ার্নারকে। তখন তাদের রান ছিল ১০।

আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার খেলতেই পারবেন না!

বেন স্টোকসের জন্য এবারের আইপিএল নিলামে ১৪.৫ কোটি রুপি খরচ করেছে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস। সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বেন স্টোকসের পারফরম্যান্স বেশ নজরকাড়া। ভারতের বিরুদ্ধেও টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের এই ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স প্রশংসিত হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই বেন স্টোকসকে ঘিরে এবার পুনের প্রত্যাশাটা অনেকটাই। গতবারই আইপিএল-এ আত্মপ্রকাশ করেছে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস। কিন্তু, ধোনি সমৃদ্ধ সেই দলের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাব্যাঞ্জক। কিন্তু, পুনে দলের সূত্রে যা খবর ইতিমধ্যেই ইংরাজ এই ক্রিকেটারকে নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বেন স্টোকস আদৌ পুরো আইপিএল খেলতে পারবেন কি না তাতে সন্দেহ দানা বেঁধেছে।

পুনের দলের সূত্রে যা খবর তাতে, ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতির জন্য মে মাসে জোড়া সিরিজ আয়োজন করছে ইসিবি। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার পরই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলবে ইংল্যান্ড। মে মাস মানেই আইপিএল তখন মাঝপথে।
ছয় সপ্তাহব্যাপী আইপিএলে বেন স্টোকসকে পুরো সময়টা পাওয়া নিয়ে সিদূরে এখন মেঘ দেখছে পুণে।
শুধু স্টোকসই নন। কেকেআর-ও একই সমস্যায়। কারণ, তারা এবার দলে নিয়েছে ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের ক্রিকেটার ক্রিস ওকস-কে। মে মাসে ইংল্যান্ডের জোড়া সিরিজের জন্য ওকসকেও না আইপিএল-এর মাঝপথে ছেড়ে দিতে হয়? এই নিয়ে এখন চিন্তিত নাইট কর্তৃপক্ষ।
জানা গিয়েছে, বেন স্টোকস, ক্রিস ওকস এবং জোস বাটলার— এই তিন তারকা ক্রিকেটার ১৪ মে সম্ভবত জাতীয় দলের খেলার জন্য দেশে ফিরে যাবেন। তার আগে ১ মে ইয়ন মর্গ্যান ও জেসন রে-দেরও দেশে ফেরার কথা।

তবে, আরসিবি-র টাইমাল মিলস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ক্রিস জর্ডনকে নিয়ে তেমন সমস্যা হবে না। জানা গেছে, এই দুই ইংরেজ ক্রিকেটারকেই আইপিএল-এ পুরো সময়টাই পাওয়া যাবে।

নতুন মোস্তাফিজের সন্ধান পেয়েছে ভারত; জেনে নিন কে এই মোস্তাফিজ?

মোস্তাফিজের উত্থান খুব বেশি দিনের নয়। তবে উত্থানেই যে হইচই ফেলে দিয়েছেন, তাতেই নিজেকে ঘিরে একটা মাপকাঠি তৈরি করে ফেলেছেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। এখন কোনো পেসারের উত্থান হলে সবাই তুলনা শুরু করেন মোস্তাফিজের সঙ্গে। সেটা দেশের মাটিতে হোক কিংবা বিদেশের মাটিতে।

গত বছর আইপিএলের আগে হঠাৎই নতুন ‘মোস্তাফিজে’র আবিস্কার করে ভারতীয় মিডিয়া। বাঁ হাতি পেসার বারিন্দার স্রান। বলা শুরু হয়, তিনিই ভারতের নতুন মোস্তাফিজ। বাঁ-হাতি পেসার। খেলার স্টাইল, গতি কিংবা বলের কারুকাজ নাকি অনেকটাই মোস্তাফিজের মত।

শুধু তাই নয়, আইপিএলে মোস্তাফিজেরই সতীর্থ হন বারিন্দার স্রান। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে প্রায় নিয়মিতই খেলে গেছেন স্রান। তখন ভারতের মিডিয়ায় বলা শুরু হয়, দুই মোস্তাফিজ একই সঙ্গে একই দলে।

এবার নতুন আরেকজন মোস্তাফিজের আবিস্কার করে ফেললো ভারতীয় মিডিয়া। তিনিও বাঁ-হাতি পেসার। বোলিং করার স্টাইলও নাকি অনেকটা মোস্তাফিজের মত। অফ কার্টারটা বেশ ভালোই করতে পারেন। শুধু তাই নয়, ইয়র্কারে ওস্তাদ। তামিল নাড়ুর ঘরোয়া লিগে সুপার ওভারে টানা ৬টি ইয়র্কার দিয়েছিলেন। তার নাম থাঙ্গারাসু নটরাজন।

খুব গরীব ঘরের সন্তান। বাবা কুলি। সেখান থেকে উঠে এসে এখন আইপিএলের মঞ্চে অন্যতম আলোচিত তারকা। কারণ, ১০ লক্ষ রুপি ভিত্তি মূল্য থেকে ৩ কোটি রুপি দিয়ে তাকে কিনে নিয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।

এরপরই ভারতীয় মিডিয়াজুড়ে নটরাজনকে নিয়ে আলোচনা। প্রায় প্রতিটি মিডিয়াতেই তাকে তুলনা করা হচ্ছে বাংলাদেশের মোস্তাফিজের সঙ্গে। কলকাতার প্রভাবশালী আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, ‘তার সেরা অস্ত্র কাটার। যে কারণে বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে ইতিমধ্যেই তুলনা শুরু হয়ে গিয়েছে।’ ক্রিকেট ভিত্তিক ভারতীয় বিখ্যাত ওয়েবসাইট ক্রিকবাজও নটরাজনকে তুলনা করেছে মোস্তাফিজের সঙ্গে।

এবারের নিলামের ‘মাশরাফি’ রশিদ

আইপিএলে দল পেয়ে রোমাঞ্চিত রশিদ খান।গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে নিজেকে দারুণভাবে চিনিয়েছিলেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। তিন ওয়ানডেতে ৭ উইকেট নেওয়া রশিদ বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভালোই ভুগিয়েছিলেন। দেশের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো করে যাওয়ার ফল পেলেন দারুণভাবেই। তাঁর চেয়েও অনেক নামকরা তারকাদের পেছনে ফেলে ৪ কোটি রুপিতে আইপিএলে নাম লেখালেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদে। চা-র কোটি রুপি!
ওয়ানডে সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়েতে থাকা রশিদ কি ভেবেছিলেন এমন কিছু! আজ থেকে আট বছর আগে ঠিক এমনই অবস্থা হয়েছিল বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার। অপ্রত্যাশিতভাবেই রশিদের মতোই সেদিন ৬ লাখ ডলারে মাশরাফিকে কিনেছিল কেকেআর। বাইরের পৃথিবীর চমকে গিয়েছিল, মাশরাফিকে এত টাকায় কেনায়। মাশরাফিরও শুরুটা হয়েছিল খুবই কম ভিত্তিমূল্য থেকে। তার পর কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব আর কেকেআরের টানাটানিতে দর চলে যায় আকাশে। যে লড়াই প্রীতি জিনতা বনাম জুহি চাওলার লড়াই হিসেবেও খ্যাতি পেয়েছিল। দুজনই যে নিজ নিজ দলের হয়ে সেদিন নিলামে ছিলেন।
এবার রশিদকে নিয়েও দুই দলের টানাটানিতে দাম চলে গেল ৪ কোটি রুপিতে। অথচ আইপিএল নিলামে নাম থাকলেও দল পাবেন—এমন ভাবনাও নাকি মাথায় ছিল না রশিদের। বলেছেন, ‘আমি খুব অবাক হয়েছি, খুশি হয়েছি, রোমাঞ্চিতও হয়েছি। খুব তাড়াতাড়িই ঘটে গেল সবকিছু। ব্যাপারটা এখনো বিশ্বাস করে উঠতে পারছি না।’

ক্রিকেট খেলতে তিনি এখন পৃথিবীর অন্য প্রান্তে। নিলাম শুরু হওয়ার সময়ও ছিলেন গভীর ঘুমে। রশিদ বলেছেন, ‘আমার বাবা-মা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে নিলাম দেখতে বসেছিলেন। আমি তখন ঘুমিয়ে ছিলাম। তাঁরা তখন আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন আর টিভি দেখতে বলেন। কারণ এরপর আমার নিলামই শুরু হচ্ছিল।’
আইপিএলের দরজা খুলে গেলেও রশিদ এখন অপেক্ষায় আরও বড় কিছুর। এই মুহূর্তে আফগানিস্তানের টেস্ট মর্যাদাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রার্থিত, ‘আমরা টেস্ট খেলতে চাই। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা সবাই খুব পরিশ্রম করছি সুযোগটা পাওয়ার জন্য। আমরা যদি টেস্ট খেলার সুযোগ পাই, তাহলে ভাবতেও পারবেন না আমরা কতটা খুশি হব।’ সূত্র: ক্রিকইনফো।

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ বাংলাদেশে

পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ তো খেলবেই না ভারত। কখনও আইসিসির টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও মুছে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছে তারা। কিন্তু ভারত না চাইলেও অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেটে বাংলাদেশেই মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। কক্সবাজারে ১৫ মার্চ শুরু হতে যাওয়া অনূর্ধ্ব-২৩ ইমার্জিং ট্রুফিতে মুখোমুখি হবে ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় দুই প্রতিপক্ষ।

এই ম্যাচ দিয়েই ক্রিকেট মাঠে আবার ফিরছে ভারত–পাকিস্তান লড়াই। চলতি বছরের জুনে ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগেই মুখোমুখি হচ্ছে ভারত–পাক। বাংলাদেশে ১৫–২৬ মার্চ হবে এমার্জিং কাপ। তবে সেই লড়াইয়ে বিরাট–সরফরাজদের লড়াই দেখা যাবে না। কারণ টুর্নামেন্টটা অনূর্ধ্ব ২৩–দের জন্য। যোগ দেবে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, ইউএই, হংকং ও নেপাল।

ক্রিকেট মাঠে আবার ফিরছে ভারত–পাকিস্তান লড়াই।

জানা গেছে, আইসিসির পূর্ণসদস্য দেশগুলো চারজন সিনিয়রকে খেলানোর সুযোগ পাবে। অ্যাসোসিয়েট দেশ হওয়ায় আফগানিস্তান, হংকং, ইউএই, নেপাল অবশ্য সিনিয়র দলই খেলাবে। বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব–২৩ টুর্নামেন্ট যখন চলবে, ভারতের সিনিয়র দল তখন ব্যস্ত থাকবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ নিয়ে। তাই কোন চারজন সিনিয়র খেলবেন তা নিশ্চিত নয়।

টুর্নামেন্ট এর আয়োজক এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। বিসিসিআই এখানে খেলার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছে। যেহেতু দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়, তাই ভারত–পাক লড়াইয়ে আপত্তি নেই ভারতীয় বোর্ডের। ২০১৫ বিশ্বকাপে শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল ভারত–পাক। বিরাটের শতরানে সেই ম্যাচটা জিতেছিল ধোনির ভারত। ‌‌

১৫ মার্চ শুরু হয়ে টুর্নামেন্ট চলবে ২৬ মার্চ পর্যন্ত। তবে এখন পর্যন্ত সূচি তৈরি হয়নি। তাই নির্ধারিত হয়নি কবে তারা মুখোমুখি হবে। সূচি নির্ধারিত হলেই হয়তো ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হওয়া নিয়ে উত্তেজনা শুরু হবে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তা এমভি শ্রীধর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ভারত-পাকিস্তান কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়, আট দলের একটি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে কক্সবাজারে। এটা এসিসির (এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল) টুর্নামেন্ট। আমরা যাব। ভারত দল পাঠাবে।’

ওই টুর্নামেন্টের সময় ভারতে চলবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্রিকেট সিরিজ। এ কারণে টুর্নামেন্টে ভারত জাতীয় দলের কোনো ক্রিকেটার পাঠাতে পারবে কিনা এ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।