Tag Archives: ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফটে চার বাংলাদেশি

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) প্লেয়ার্স ড্রাফটে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের চার জন ক্রিকেটার। ১০ মার্চ প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে। প্লেয়ার্স ড্রাফটে মোট ২৫৮ জন ক্রিকেটারের নাম রয়েছে।

প্লেয়ার্স ড্রাফটের চার বাংলাদেশি হলেন তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, এনামুল হক বিজয় ও তাসকিন আহমেদ। এদের মধ্যে একমাত্র তামিম ইকবালের অভিজ্ঞতা রয়েছে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলার। ২০১৩ সালে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম আসরে সেন্ট লুসিয়া জুকসের হয়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন এ বাঁহাতি ড্যাশিং ওপেনার।

অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সম্প্রতি দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন পাকিস্তান সুপার লিগে। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে অলরাউন্ডিং নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন তিনি। আইপিএলের নিলামেও নাম ছিলো তার। তবে অবিক্রীত ছিলেন রিয়াদ।

উইকেট রক্ষক-ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয় ও ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ দেশের বাইরে এখনো কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলেননি।

গত আসরে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। জ্যামাইকা তালাহওয়াসের হয়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন সাকিব। এবারো জ্যামাইকার জার্সিতে দেখা যাবে সাকিবকে।

সব টেস্ট খেলুড়ে দেশের ক্রিকেটাররাই রয়েছে ড্রাফটে। বাইরের দেশের ক্রিকেটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৬ জন ক্রিকেটার রয়েছে পাকিস্তানের। রয়েছে আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটারদের নামও। ১০ মার্চ বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় অনুষ্ঠিত হবে এবারের আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফট।

ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা নির্বাচিত হলেন যারা

শুক্রবার ১৩ বিভাগে বর্ষসেরা পুরষ্কার ঘোষণা করেছে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো। ১৩ বিভাগের মধ্যে ছয়টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন বাংলাদেশের ছয় ক্রিকেটার। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছেন দু’জন।

২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অসাধারণ বোলিংয়ে টি-টোয়েন্টির বর্ষসেরা বোলার নির্বাচিত হন মুস্তাফিজুর রহমান। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচে মাত্র ২২ রান খরচায় পাঁচ উইকেট তুলে নেন জাতীয় দলের বাঁহাতি এই পেসার। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৪৫ রানের বেশি করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড।

এছাড়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বর্ষসেরা অভিষিক্ত ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ। ইংলিশদের বিপক্ষে দুই টেস্টে রেকর্ড ১৯ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার পুরষ্কার জেতেন মিরাজ। অভিষেক সিরিজেই চমক দেখিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা অভিষিক্ত ক্রিকেটার।

‘ক্রিকইনফো’ নির্বাচিত অন্যান্য বিভাগের বর্ষসেরা পুরষ্কার জয়ীদের নাম সংক্ষেপে তুলে ধরা হল:

১. বর্ষসেরা অধিনায়ক : বিরাট কোহলি (ভারত)

২. বর্ষসেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান : বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)

৩. বর্ষসেরা টেস্ট বোলার : স্টুয়ার্ট ব্রড (ইংল্যান্ড)

৪. বর্ষসেরা ওয়ানডে ব্যাটসম্যান : কুইন্টন ডি কক (দক্ষিণ আফ্রিকা)

৫. বর্ষসেরা ওয়ানডে বোলার : সুনীল নারাইন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

৬. বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান : কার্লোস ব্রার্থওয়েট (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

৭. বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি বোলার : মুস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ)

৮. বর্ষসেরা অভিষিক্ত ক্রিকেটার : মেহেদি হাসান মিরাজ (বাংলাদেশ)

৯. বর্ষসেরা  অ্যাসোসিয়েট ব্যাটসম্যান : মোহাম্মদ শাহজাদ (আফগানিস্তান)

১০. বর্ষসেরা অ্যাসোসিয়েট বোলার : মোহাম্মদ নবী (আফগানিস্তান)

১১. বর্ষসেরা নারী ব্যাটসম্যান : হ্যালি ম্যাথিউস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

১২. বর্ষসেরা নারী বোলার : লেই কেসপেরেক (নিউজিল্যান্ড)

১৩. বর্ষসেরা স্ট্যাটসগুরু অ্যাওয়ার্ড : বিরাট কোহলি (ভারত)

সূত্র: ক্রিকইনফো

বিপিএলে কেন নিষ্প্রভ ছিলেন গেইল?

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ক্রিস গেইল। চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে চতুর্থ আসরে খেলতে এসেই ঘোষণা দিয়েছিলেন এবার ৫৫টি ছক্কা হাঁকাবেন তিনি।

তবে, পাঁচ ম্যাচে ১০ ছক্কায় থেমেছেন তিনি। মোটে ১০৯ রান করেছেন। তার ব্যাট থেকে একটা সেঞ্চুরি তো দূরের কথা হাফ সেঞ্চুরিও দেখেনি বাংলাদেশের দর্শকরা।

ভারতীয় পত্রিকা হিন্দুস্থান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গেইল নিজেই এমন নিষ্প্রভ ব্যাটিংয়ের ব্যাখ্যাটা দিয়েছেন। জানিয়েছেন, মূলত ইনজুরির কারণেই নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি এই ব্যাটিং দানব।

সর্বশেষ গত আগস্টে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের পর এই অস্ত্রোপচারই তাকে মাঠ থেকে দূরে রেখেছিল। ফিরেছিলেন বিপিএল দিয়েই। তবে, ব্যাথাটা বিপিএলের মাঝে তাকে যথেষ্ট ভুগিয়েছে।

গেইল বলেন, ‘পিঠের সার্জারির পর এখনও জায়গাটায় মাঝে মধ্যে ব্যাথা হয়। মাঝে মধ্যে মনে হয় জায়গায় আগুন জ্বলছে। গত সপ্তাহে আমি বিপিএল খেলতে বাংলাদেশে ছিলাম। তখন ওই ব্যাথাটা আমাকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছে।’

বিপিএল সেরা একাদশের অধিনায়ক স্যামি

শুক্রবার ফাইনালের মহারণে রাজশাহী কিংসকে হারিয়ে এই আসরের শিরোপা জিতেছে সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস। সেই সঙ্গে মাসব্যাপী ব্যাট-বলের লড়াই শেষে পর্দা নেমেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চতুর্থ আসরের। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ঘরোয়া টুর্নামেন্টের এই আসরে ব্যাট-বল হাতে আলো ছড়িয়েছে দেশি-বিদেশি অনেক ক্রিকেটাররাই।

সদ্য শেষ হওয়া এই আসরের সেরা ক্রিকেটারদের বাছাই করে একাদশ তৈরি করেছে ক্রিকেট বিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো। এ একাদশের অধিনায়ক হিসেবে আছেন এই আসরের একমাত্র বিদেশি অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। এছাড়া একাদশে আছেন ব্যাট হাতে শীর্ষ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল, বল হাতে সেরা উইকেট শিকারি ডোয়াইন ব্রাভো, টুর্নামেন্ট সেরা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, চলতি আসরের একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান সাব্বির রহমান।

তবে ক্রিকইনফোর সেরা এই একাদশে জায়গা হয়নি প্রথম দুই আসরের ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট সাকিব আল হাসান, ব্যাট হাতে শুরু থেকেই আলো ছড়ানো শাহরিয়ার নাফিস কিংবা গেল আসরের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার। বিপিএলের নিয়ম অনুযায়ী এই একাদশে দেশি ক্রিকেটার হিসেবে রাখা হয়েছে সাতজনকে। আর বাকি চার ক্রিকেটার পূর্ণ হয়েছে বিদেশি ক্রিকেটারদের দিয়ে।

ক্রিকইনফো’র একাদশে ওপেনার হিসেবে রাখা হয়েছে তামিম ইকবাল ও ঢাকা ডায়নামাইটসের আক্রমণাত্মক ওপেনার মেহেদি মারুফকে। ব্যাটিং অর্ডারে এরপর রয়েছেন সাব্বির রহমান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ নবী, ড্যারেন স্যামি। এই একাদশে উইকেটরক্ষক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন বরিশাল বুলসের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। বোলিং বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন ডোয়াইন ব্রাভো, জুনায়েদ খান, শফিউল ইসলাম। বাঁ-হাতি স্পিনার হিসেবে দলে রয়েছেন আরাফাত সানি।

ক্রিকইনফো’র বিপিএল সেরা একাদশ:

তামিম ইকবাল (চিটাগাং ভাইকিংস), মেহেদি মারুফ (ঢাকা ডায়নামাইটস), সাব্বির রহমান (রাজশাহী কিংস), মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (খুলনা টাইটান্স), মোহাম্মদ নবী (চিটাগাং ভাইকিংস), ড্যারেন স্যামি (অধিনায়ক, রাজশাহী কিংস), মুশফিকুর রহিম (বরিশাল বুলস), ডোয়াইন ব্রাভো (ঢাকা ডায়নামাইটস), আরাফাত সানি (রংপুর রাইডার্স) শফিউল ইসলাম (খুলনা টাইটান্স) এবং জুনায়েদ খান (খুলনা টাইটান্স)।

বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে চায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ

চলছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চতুর্থ আসর। এর মধ্যেই বাংলাদেশ সফরে এসেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের (ডব্লিউআইসিবি) প্রধান ডেভ ক্যামেরন। উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজন।

রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের ম্যাচ দেখেছেন ক্যামেরন। সেখানেই তিনি কথা বলেন ধারাভাষ্যকারের সাথে। ক্যামেরন বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি বিসিবির অতিথি হয়ে। দেখতে এসেছি বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতি, কীভাবে ওরা উন্নতি করছে। একই সঙ্গে কথা বলব কবে ওদের সঙ্গে খেলা যায়, সামনে কখন সিরিজ আয়োজন করা যায়, এসব নিয়ে।’

ছবি: সংগৃহীত

গেল এক বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতি দেখে মুগ্ধ ডব্লিউআইসিবি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেট দারুণ উন্নতির পথে আছে। বিশেষ করে দেশের মাটিতে ওদের বিপক্ষে খেলতে ভয়ই লাগবে আমাদের। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক সব সময়ই ভাল ছিল আমাদের। শুধু বাংলাদেশই নয়, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা জরুরি।’