চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৮, এর পর আবার দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯৫ রান। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচেও খেলেছিলেন ১০২ রানের এক ঝকঝকে ইনিংস। সবমিলিয়ে তামিম ইকবাল যে অসাধারণ ফর্মে আছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এখন পর্যন্ত মাত্র দুই ম্যাচে ১১১.৫০ গড়ে ২২৩ রান করে তামিমই প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। এ তালিকায় তিনি পেছনে ফেলেছেন ইংল্যান্ডের জো রুট আর নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনের মত ব্যাটসম্যানদের।

এখন পর্যন্ত জো রুট দুই ম্যাচে করেছেন ১৯৭ রান, কেন উইলিয়ামসন তার চেয়েও ১০ রান কম। সবমিলিয়ে তামিম তার দুই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে আছেন, এবং তার সামনে ভালোভাবেই সম্ভাবনা আছে আবারও একটি আইসিসি ইভেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার।

কেননা সর্বশেষ কোন মেজর আইসিসি ইভেন্ট, অর্থাৎ গতবছর ভারতে অনুষ্ঠিত আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপেরও সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক যে ছিলেন চট্টগ্রামেরই এই মারকুটে ব্যাটসম্যান।

খুব স্বাভাবিকভাবেই তামিমের এই অবিশ্বাস্য ফর্মে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং। তবে বর্তমানে স্কাই স্পোর্টসে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্তব্যরত পন্টিংয়ের কাছে তামিমের জন্য কিছু টিপসও রয়েছে।

এক অনুষ্ঠানে তামিমকে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বরাবরই ওর ইনিংসে বাউন্ডারির সংখ্যা বেশি। কিন্তু, সিঙ্গেলস বের করে ডট বল কমানোর দিকে ওকে মনোযোগ দিতে হবে।’

প্রথম ম্যাচে তামিমের স্ট্রাইক রেট ৯০.১৪, দ্বিতীয় ম্যাচে ৮৩.৩৩। আজকের দিনে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ১০০-র বেশি বল মোকাবেলা করার পরও যদি কোণ ব্যাটসম্যানের স্ট্রাইক রেট এত কম থাকে, তা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। অথচ সিঙ্গেল বের করতে পারলে নি:সন্দেহে স্ট্রাইক রেট বাড়তো।

অবশ্য তামিমের ব্যাটিংয়ের অন্য সব দিক নিয়ে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।

তিনি বলেন, ‘তামিমের হাতে প্রচুর শট। ফাস্ট বোলারদের রীতিমত শাসন করেছে ও। স্পিনাদের বিপক্ষে ফুটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে দারুণ রান করেছে।’

Advertisements