এই ম্যাচের সঙ্গে বাংলাদেশের ভাগ্যও যেন জড়িত। ১ পয়েন্ট পাওয়া বাংলাদেশের সেমি ফাইনালে যেতে হলে এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয়ই কাম্য ছিল এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। অবশেষে সেটাই হয়েছে ইংল্যান্ডের কাছে ৮৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে নিউজিল্যান্ড। এই জয়ের পর স্বাগতিকদের সেমিফাইনালও নিশ্চিত হয়ে গেছে।

দুই ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৪। ‘এ’ গ্রুপের সবাই দুটি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। বাকি আছে একটি করে ম্যাচ। এর মধ্যে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে এক দল জিতবে। ১ পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নেবে এক দল। যে দল জিতবে তাদের পয়েন্ট হবে ৩। অন্য ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইংল্যান্ড হেরে গেলেও তাদের সেমি নিশ্চিত। কারণ, অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্টও হবে তখন ৪। তৃতীয় কোনো দলের ৪ কিংবা তার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই আর। সুতরাং, ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত।

কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে ইংল্যান্ডের করা ৩১০ রানের বিশাল স্কোরের জবাব দিতে নেমে ৪৪.৩ ওভারেই ২২৩ রানে অলআউট হয়ে গেছে নিউজিল্যান্ড। মূলতঃ ইংলিশ পেসার লিয়াম প্লাঙ্কেটের কাছেই বিধ্বস্ত হয়েছে কিউইরা। ৯.৩ ওভারে ৫৫ রান দিলেও তিনি নিয়েছেন ৪ উইকেট।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের সামনে ৩১১ রানের লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে দেয় ইংল্যান্ড। ৬৪ রান করেন জো রুট। ৬১ রান করে অপরাজিত থাকেন জস বাটলার। ৫৬ রান করেন আলেক্স হেলস। ৪৮ রান করে আউট হন বেন স্টোকস।

জবাব দিতে নেমে প্রথম ওভারেই জ্যাক বলের দুর্দান্ত পেসের মুখে উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। কোন রান না করেই ফিরে যান বল। এরপর মার্টিন গাপটিল আর কেন উইলিয়ামসন ৬২ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেয়।

৩৩ বলে ২৭ রান করে গাপটিল আউট হয়ে গেলেও উইলিয়ামসন এক প্রান্ত ধরে রেখে কিউইদের এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। রস টেলর সঙ্গে তিনি গড়েন ৯৫ রানের জুটি। ৯৮ বলে ৮৭ রান করে দলীয় ১৫৮ রানের মাথায় আউট হয়ে যান উইলিয়ামসন। অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পরই কিউইদের স্বপ্ন অনেকটা শেষ হয়ে যায়।

এরপর রস টেলরই কেবল ৩৯ রান করেন। বাকিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮ রান করেন জিমি নিশাম। নেইল ব্রুম ১১, কোরি এন্ডারসন ১০, অ্যাডাম মিলনে করেন ১০ রান।

লিয়াম প্লাঙ্কেট ছাড়াও ২টি করে উইকেট নেন জ্যাক বল এবং আদিল রশিদ। ১ উইকেট করে নেন মার্ক উড এবং বেন স্টোকস। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন জ্যাক বলই।

Advertisements