পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচটিতে হারলেও ইতিবাচক ছিল অনেক কিছুই। ম্যাচ জুড়ে ভালো খেলেও বাংলাদেশ হেরে গিয়েছিল শেষ ১০ ওভারে। কিন্তু ভারত ম্যাচ থেকে তো নেওয়ার আছে সামান্যই!

সেই ম্যাচও আবার মূল টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র একদিন আগে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার সময়ও এই বিপর্যয়ের অভিজ্ঞতা টাটকা থাকার কথা। টুর্নামেন্টের দুয়ারে দাঁড়িয়ে এমন পারফরম্যান্স, দুর্ভাবনা যে কিছুটা আছে, মেনে নিচ্ছেন হাথুরুসিংহে।

“অবশ্যই এটা একটু দুশ্চিন্তার। আত্মবিশ্বাসে একটু হলেও চোট লাগছে। যদিও এটি স্রেফ প্রস্তুতি ম্যাচ। তার পরও এই ধরনের পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসে একটু ধাক্কা লাগেই।”

তবে এই ধাক্কা মানেই দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া নয়। গুঁড়িয়ে যাওয়াও নয়। ক্রিকেটীয় বাস্তবতা আর ক্রিকেটীয় দর্শন, দুটি মিলিয়েই এই বিপর্যয়কে সহজভাবে নেওয়ার চেষ্টা করছেন কোচ।

“নাহ, হতাশ নই। এরকম হতেই পারে। আমরা সবাই মানুষ। ভুল হতেই পারে। ভারতীয় বোলাররা অনেক ভালো বোলিং করেছে। ক্রিকেটে এরকম হয়েই থাকে। মেঘলা আকাশ, ঠাণ্ডা বাতাস… শুরুতে দ্রুত ২-৩ উইকেট হারালে ধস নামা অস্বাভাবিক নয়। ওরা দুর্দান্ত বোলিং করেছে।”

“আমরা ভালো করতে পারিনি অবশ্যই। তবে শেষ কয়েকটি ম্যাচে আমাদের ব্যাটসম্যানরা ভালো করেছে। আজকে স্রেফ একটি বাজে দিন ছিল।”

স্রেফ একটা বাজে দিন বলে উপেক্ষা করছেন দিনটিকে, তবে ভুলে যাচ্ছেন না কোচ। এরকম ব্যাটিংয়ের পুনরাবৃত্তি হলে যে সেটি মেনে নেওয়ার মত নয়, সেই বার্তাও দিয়ে রেখেছেন দলকে।

“আমাদের বুঝতে হবে ভুল কি কি হয়েছে। মাঠে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কন্ডিশন বিবেচনায়, প্রতিপক্ষের বোলিং বিবেচনায় সঠিক শট নির্বাচন করতে হবে। কন্ডিশনটাকে কাজে লাগাতে হবে। প্রস্তুতি ম্যাচে যা হয়েছে, মূল ম্যাচে যেন আরও বেশি সচেতন থাকি আমরা।”

পাকিস্তানের বিপক্ষে হাতের মুঠো থেকে জয় ফেলে দেওয়ার পর টিম মিটিংয়ে সামনের পথচলা নিয়ে কথা বলেছিলেন কোচ। ভারতের বিপক্ষে মাচের পরও তাকাচ্ছেন সামনে।

Advertisements