যদিও মাঠের একপাশের সীমানা ৩৫ গজেরও কম! তবুও তামিম ইকবালের সেঞ্চুরি ও ইমরুল কায়েসের হাফ সেঞ্চুরিতে ৩৪১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে কিছুটা নিশ্চিন্তেই ছিল বাংলাদেশ। রান পাহাড় তাড়া করতে নেমে এক পর্যায়ে পাকিস্তান ২৪৯ রানেই আট উইকেট হারিয়ে বসে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে অনভিষিক্ত ফাহিম আশরাফের ব্যাটে শেষপর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সরফরাজ আহমেদের দল।

এমন অপ্রত্যাশিত হারের পর দলের ফিল্ডিংকেই দুষলেন ইমরুল। তার মতে, ফিল্ডিংয়ে এখনো উন্নতির জায়গা রয়েছে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে নিজেদের এই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েই পরের ম্যাচে এই বিভাগে তার দলের উন্নতি করার প্রয়োজনীয়তারও কথা জানান বাঁ-হাতি এই ব্যাটসম্যান।

এ প্রসঙ্গে ইমরুলের ভাষ্য, ‘ফিল্ডিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আজকে (শনিবার) সেটা আমাদের ভালো হয়নি। কেউতো ইচ্ছাকৃত মিস করে না। গা-ছাড়া দিয়েও থাকে না। সবাই চেষ্টা করে। তারপরও ভুল হয়ে যায়।  এদিনও সেরকম দু-একটা ভুল হয়েছে। ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করতে হবে। আরও ফিল্ডিং সেশন দরকার আমাদের।’

বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রস্তুতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের পশ্চিম পাশের সবচেয়ে কোণার উইকেটে। এই মাঠে উইকেট আছে ২০টিরও বেশি। সাধারণত দুই পাশের দুই কোণার উইকেট ব্যবহার করা হয় অনুশীলনের জন্য। সেরকম অনুশীলন করার একটি উইকেটেই খেলানো হয় ম্যাচটি। উইকেটের ওপাশ থেকে ৩০ গজের বৃত্ত শেষ হলেই মাঠের সীমানা প্রায় শেষ। কারণ ওই প্রান্তের সীমানা ৩৫ গজেরও কম!

এমনিতেই মাঠের একপাশের সীমানা ছোট। তার মাঝেও অহরহ ফিল্ডিং মিস করতে দেখা গেছে ক্রিকেটারদেরকে। সাকিব আল হাসান, তাসকিন আহমেদ মেহেদী হাসান মিরাজসহ অনেকেই ক্যাচ ছেড়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সুযোগটা হাতছাড়া করেছেন মিরাজ। শেষ ওভারে ফাহিম আশরাফের ক্যাচটি লুফে নিতে পারলে হয়তো জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তো মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

আগামী ৩০ মে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

Advertisements