বর্তমানে বাংলাদেশ দল যাদের ছাড়া ভাবা যায় না। দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ সেই মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসান দাঁড়িয়ে আছেন মাইলফলকের সামনে। তারা জাতীয় দলের হয়ে একাধিক অর্জন নিজেদের দখলে নিয়েছেন, হয়েছেন অনন্য সব রেকর্ডের অংশীদার। এবার যৌথভাবে আরো একটি রেকর্ডের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন জাতীয় দলের এই দুই নক্ষত্র।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হয়ে সর্বাধিক একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার গৌরব অর্জন করার অপেক্ষায় মাশরাফি ও সাকিব। সবকিছু ঠিক ও ভাগ্য সহায় থাকলে ইংল্যান্ডের মাটিতে বসতে যাওয়া আসন্ন আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসরেই এ মাইলফলক স্পর্শ করে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলবেন দেশসেরা পেসার মাশরাফি ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব।

লাল-সবুজ জার্সি গায়ে সবচেয়ে বেশি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা বাংলাদেশি ক্রিকেটার হচ্ছেন বর্তমানে মোহাম্মদ আশরাফুল। জাতীয় দলের হয়ে মোট ১৭৭টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়কের চেয়ে মাত্র ৩ ম্যাচ পিঁছিয়ে আছেন মাশরাফি আর সাকিব আল হাসান পিঁচিয়ে মোট পাঁচ ম্যাচ। অর্থাৎ, ইতোমধ্যে জাতীয় দলের হয়ে ১৭৪টি ওয়ানডে ম্যাচে মাঠে নামার স্বাদ পেয়েছেন মাশরাফি বিপরীতে ১৭২ ম্যাচে অংশ নিয়েছেন সাকিব।

যার ফলে, ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে অনন্য অর্জনের দিকে আরো একধাপ যাবেন তারা। আর সবকিছু ঠিক পথে চললে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই আশরাফুলকে পেছনে ফেলে রেকর্ড বইয়ের পাতায় নিজেদের নাম প্রতিষ্ঠা করে ফেলবেন জাতীয় দলের বর্তমান অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক।

এ তালিকায় বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে আছেন মাশরাফি তারপর সাকিব। এরপরই রয়েছেন টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম (১৭১)। মুশফিকের চেয়ে তিন ম্যাচ কম খেলে তালিকার পঞ্চম স্থানে অবস্থান দেশসেরা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে সাদা বল হাতে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় মাশরাফি মুর্তজার। আর সাকিব আল হাসান ওয়ানডে ক্রিকেটে পদচারণা শুরু করেন ২০০৬ সালে। ১৭২ ওয়ানডে ম্যাচ থেকে তিন ফরম্যাটের বর্তমান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের শিকার ২২২ উইকেট।

ইনঞ্জুরির কবলে পড়ে লম্বা সময় মাঠের বাইরে থাকলেও নিজের কার্যকারি বোলিংয়ের কারিশমা ধরে রেখে ওয়ানডেতে ২২৮ উইকেট শিকার করেছেন মাশরাফি।

Advertisements