এক নজরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেরা দশ পারফরম্যান্স

আসছে জুনের প্রথম দিনে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে বসতে যাচ্ছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসর। ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট দল নিয়ে শুরু হবে মর্যাদার এই লড়াই।  চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগের সাত আসরে ক্রিকেটবিশ্ব দেখেছে চোখ ধাঁধানো অনেক পারফরম্যান্স। এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেরা দশটি পারফরম্যান্স।

সেরা পাঁচ ব্যাটিং পারফরম্যান্স

  •  শচিন টেন্ডুলকার
     

    Image result for শচিন টেন্ডুলকার

২৮ অক্টোবর ১৯৯৮ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নাম তখন উইলস ইন্টারন্যাশনাল কাপ। ঢাকায় অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম আসরের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ভারত। এই টুর্নামেন্টে মাঠে নামার দুই দিন আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। কাজেই আত্মবিশ্বাসটা তুঙ্গে ছিল অজিদের। কিন্তু স্টিভ ওয়াহর শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া ধরাশায়ী হয়েছিল শচিন টেন্ডুলকার নামের তরুণ এক ডানহাতি ব্যাটসম্যানের কাছে। টসে জিতে মোহাম্মদ আজহার উদ্দিনের ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটিংয়ে নেমেই অজি বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান শচিন। ১২৮ বলে খেলেন ১৪১ রানের অনবদ্য ইনিংস। ১৩ চার ও তিন ছয়ে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ভারতকে এনে দেন ৩০৭ রানের বিশাল সংগ্রহ। সেই ম্যাচটা ভারত জিতেছিল ৪৪ রানে।

  •  জ্যাক ক্যালিস

ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম আসরের ষষ্ঠ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় প্রোটিয়ারা। তবে সেই চাপ সামাল দিয়েছিলেন জ্যাক ক্যালিস। সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের তালিকা করলে যার নাম উপরের দিকেই থাকবে। সেই ম্যাচে লঙ্কান বোলারদের ওপর টর্নেডো বইয়ে ক্যালিস হাঁকিয়েছিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। ১০০ বলে ১১৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন এই অলরাউন্ডার। দলকে এনে দিয়েছিলেন ২৪০ রানের লড়াকু সংগ্রহ। ডাক-ওয়ার্থ লুইস মেথডে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটা জিতেছিল ৯২ রানে। অনুমিতভাবেই ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন জ্যাক ক্যালিস।

জ্যাক ক্যালিস। ছবি: সংগৃহীত

  •  অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ২০০২ সালের আসর বসেছিল শ্রীলঙ্কায়। কলম্বোয় গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল ক্রিকেটবিশ্বের তৎকালীন উঠতি পরাশক্তি জিম্বাবুয়ে। প্রথমে ব্যাট করে সেই ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ২৮৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির ভারত। বিশাল এই লক্ষ্য ছুঁতে গিয়ে ধাক্কা খায় জিম্বাবুইয়ানরা। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার যেভাবে ব্যাট করেছিলেন তাতে এই লক্ষ্য পেরিয়ে যাওয়া সহজই মনে হচ্ছিল। কারণ ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনো করে ম্যাচটা প্রায় হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছিলেন সিনিয়র ফ্লাওয়ার। তার ১৬৪ বলে ১৪৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস থামে রান আউট হওয়ার পর। এছাড়া অন্য প্রান্তে ছোট ভাই গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ছাড়া অন্য কেউ তেমন সমর্থন দিতে পারেননি তাকে। অ্যান্ডির এই অসাধারণ এই সেঞ্চুরির পরও জিম্বাবুয়ে ম্যাচটা হেরে যায় ১৪ রানে।

ভারতের বিপক্ষে ১৪৫ রানের ইনিংস খেলার পথে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। ছবি: সংগৃহীত

  •  শেন ওয়াটসন

২০০৯ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর্দা উঠেছিল নেলসন মেন্ডেলার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেঞ্চুরিয়নে সেই আসরের প্রথম সেমিফাইনালে মাঠে নেমেছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। শিরোপার দৌড়ে টিকে থাকার লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়াকে একাই টেনেছিলেন অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ব্রেট লি, মিশেল জনসন, শেন ওয়াটসন ও পিটার সিডলকে নিয়ে গড়া অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের তোপে পড়ে ২৫৭ রানে গুটিয়ে যায় ইংলিশরা। রিকি পন্টিং আর শেন ওয়াটসনের সেঞ্চুরিতে নয় ওভার হাতে রেখেই ম্যাচটা জিতে ফাইনালে পৌঁছে যায় মাইটি অজিরা। তবে ইংলিশ পেসার কিংবা স্পিনার কেউই বাদ পড়েননি ওয়াটসনের তোপের মুখ থেকে। যার প্রমাণ স্বরুপ ১০টি চার ও সাতটি ছয় মেরেছিলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

শেন ওয়াটসন। ছবি: সংগৃহীত 

১৩২ বলের মোকাবেলায় ১৩৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ফাইনালে উঠিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ম্যাচ সেরাও হন ওয়াটসন, কারণ এর আগে ৮.৪ ওভার বল করে ৩৫ রান খরচায় দুই উইকেট শিকার করেছিলেন। বলা চলে ওয়াটসনের হাত ধরেই সেবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। কেননা ফাইনাল ম্যাচেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত সেঞ্চুরি (১০৫) করে দলের শিরোপা নিশ্চিত করেছিলেন তিনি। ওয়াটসন ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা পার করেছেন তখনই।

কালের আবর্তে আবারও ফিরে এসেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তাই বোধ হয় একটু স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ান এই অলরাউন্ডার। তিনি বলেছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ২০০৯ সালের আসরে খেলার পর আমার মনে হয়েছিল আমি সত্যিই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের যোগ্য। বিশেষ করে শেষ দুটো ম্যাচ আমার অলরাউন্ডার সত্ত্বাটাকে বের করে এনেছিল।’

  •  শিখর ধাওয়ান

মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা ঘরে তুলেছিল ভারত। আর এই স্বপ্নের সফরে ভারতকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছেন বাঁ-হাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ান। উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ধাওয়ান খেলেন ৯৪ বলে ১১৪ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। ১২টি চার ও এক ছয়ের মারে কার্ডিফে প্রোটিয়া পেসারদের ওপর ঝড় বইয়ে দিয়েছিলেন ধাওয়ান। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছিল তার হাতেই।

২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর শিখর ধাওয়ানের উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত

সেরা পাঁচ বোলিং পারফরম্যান্স

  • শেন ও’কনর

২০০০ সালে উইলস ইন্টারন্যাশনাল কাপের নাম বদলে আইসিসি নক আউট টুর্নামেন্ট করা হয়। সেবার আয়োজক ছিল কেনিয়া। নাইরোবির জিমখানা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের প্রথম সেমি ফাইনালে পাকিস্তানকে চার উইকেটে হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তবে জয়টা এত সহজে পায়নি স্টিভেন ফ্লেমিংয়ের দল। কারণ পাকিস্তানে তখন খেলতেন সাঈদ আনোয়ার, মোহাম্মদ ইউসুফ, ওয়াসিম আকরাম ও ইনজামাম উল হকের মতো ক্রিকেটাররা।

শেন ও’কনর। ছবি: সংগৃহীত

সাঈদ আনোয়ারের সেঞ্চুরিতে (১০৪) ২৫৫ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি পেসার শেন ও’কনরও বাজিমাত করেন। ৯.২ ওভার বল করে ৪৬ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন এই পেসার। তা না হলে পাকিস্তানের রানের চাকা আরও অনেক দূর গড়াত।

  •  অরবিন্দ ডি সিলভা

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামকে আজীবন মনে রাখবেন সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার অরবিন্দ ডি সিলভা। কারণ ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দ্বিতীয় সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডানহাতি স্পিনে ভেলকি দেখিয়েছিলেন তিনি। স্পিন সহায়ক উইকেট পেয়ে সিলভাকে দিয়ে পুরো দশ ওভার বল করিয়েছিলেন তখনকার লঙ্কান অধিনায়ক সনাৎ জয়াসূরিয়া। দশ ওভার বল করে ১.৬ ইকোনোমি রেটে ১৬ রান দিয়ে পেয়েছিলেন এক উইকেট। যা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা ইকোনোমি রেটের বোলিং ফিগার। ১.৩ ইকোনোমি রেট নিয়ে ডি সিলভার আগে রয়েছেন সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান বোলার ডেল বেঙ্কেস্টাইন।

ম্যাথু হেইডেনকে আউট করার পর অরবিন্দ ডি সিলভার উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত

সেই ম্যাচে ডি সিলভার একমাত্র শিকার ছিলেন বাঁহাতি অজি ওপেনার ম্যাথু হেইডেন। কিপটে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার রানের চাকা আটকে রেখে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা।

  •  ফারভিজ মাহারুফ

১৪ অক্টোবর ২০০৬। যেদিন ফারভিজ মাহারুফের বোলিং তোপে ধসে পড়েছিল ব্রায়ান লারা, ক্রিস গেইল, শিব নারায়ণ চন্দরপলদের নিয়ে গড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং অর্ডার। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১০০ রানও পেরোতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। মাহারুফের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ৮০ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস। যা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর।

ফারভিজ মাহারুফ। ছবি: সংগৃহীত

শুরুটা করেছিলেন লাসিথ মালিঙ্গা ও চামিন্দা ভাস। শেষ করেছেন মাহারুফ। নয় ওভার বল করে দুই ওভার মেডেনসহ মাত্র ১৪ রানের বিনিময়ে ছয় উইকেট শিকার করেছিলেন ডানহাতি এই পেসার। যা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সেরা বোলিং স্পেল হিসেবে এটা উপরের দিকেই থাকবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, মাহারুফের করা সেই বোলিং স্পেলে ছিল না ইয়র্কার কিংবা বাউন্সারের ছড়াছড়ি। তবুও ২৯ রানে শেষ সাত উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন মাহারুফ। ২২০ বল হাতে রেখে নয় উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা।

  •  মাখায়া এনটিনি

২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেস-বোলিং সহায়ক উইকেটে ২১৩ রানের পুঁজি পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ২১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৮৯ রানে থেমে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। এই ব্যাটিং ধ্বসের কারণ প্রোটিয়া পেসার মাখায় এনটিনি। সেদিন সবুজাভ উইকেট পেয়ে গতির ঝড় তোলেন এই ডানহাতি পেসার। প্রথম স্পেলে বল করতে এসে মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের সামনে আবির্ভূত হন এনটিনি। মাত্র আট রানের খরচায় সাজঘরে ফেরান পাকিস্তানের পাঁচ ব্যাটসম্যানকে।

মাখায়া এনটিনি। ছবি: সংগৃহীত

এনটিনি তার মারাত্মক গতির বোলিং দিয়ে ডারবানের মতো আবহ তৈরি করেছিলেন মোহালিতে। মোট ছয় ওভার বল করে দুই মেডেনসহ মাত্র ২১ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।

  •  লাসিথ মালিঙ্গা

কোঁকড়ানো চুল, রাউন্ড আর্ম বোলিং অ্যাকশন, বোলিং মার্ক থেকে দৌড় শুরু করার আগে বলে চুমু খাওয়া। এই কয়েকটা বাক্য শ্রীলঙ্কান ডানহাতি পেসার লাসিথ মালিঙ্গার কথাই মনে করিয়ে দেয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ২০১৩ সালের আসরে মালিঙ্গার বোলিং তোপ বেশ ভালো করে টের পেয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। সেই ম্যাচে ১০ ওভার বল করে ৩৪ রানের বিনিময়ে চার উইকেট শিকার করেছিলেন ‘স্লিঙ্গা-মালিঙ্গা’।

ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে বোল্ড করার পর উচ্ছ্বসিত লাসিথ মালিঙ্গা। ছবি: সংগৃহীত

সেদিন খেলা হয়েছিল কার্ডিফে, তবে সেই ম্যাচের উইকেট পেস বোলিং সহায়ক ছিল না। তাতে মালিঙ্গার কিছু আসে যায়নি। নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের নাভিশ্বাস তুলে মরা উইকেটে ঠিকই আগুনঝরা বল করেছেন। মাত্র ১৩৮ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠে নেমেছিল লঙ্কানরা। মালিঙ্গার বোলিং তোপে জয়টা প্রায় হাতের মুঠোয় চলে এসেছিলো শ্রীলঙ্কার। কিন্তু জয়ের মালিক হয় নিউজিল্যান্ড।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s