আইরিশদের বিপক্ষে এগিয়ে থেকেই আগামীকাল মাঠে নামছে সাকিব-মুশফিকরা

সময়টা ২০০৭ সালের ১৫ এপ্রিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে দুই দলের প্রথম দেখায় স্মৃতিটা সুখকর ছিল না বাংলাদেশের। ব্রিজটাউনে উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন টাইগাররা। পোর্টারফিল্ডের ৮৫ রানে ভর করে ২৪৩ রানের পুঁজি পায় আইরিশরা। জবাবে ১৬৯ রানে অলআউট বাংলাদেশ। ফল- আয়ারল্যান্ডের কাছে হাবিবুল বাশারের দল পরাজয় বরণ করে ৭৪ রানে।

এরপর টানা তিন ম্যাচে আইরিশদের বিপক্ষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ঢাকায় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সফরকারী আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেন টাইগাররা। প্রথম ওয়ানডেতে মোহাম্মদ আশরাফুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের জয়টা ৮ উইকেটের।

ওয়ানডেতে আইরিশ বধের প্রথম নায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। বল হাতে ঝলক দেখিয়েছেন। ১০ ওভারে ৪টি মেডেনসহ ২২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ব্যাট হাতে শাহরিয়ার নাফীসের ৯০* ও আশরাফুলের ৬৪* রানই বাংলাদেশকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়।

দ্বিতীয় ওয়াডেতে ফরহাদ রেজার বোলিং নৈপুণ্যে বাংলাদেশ পায় ৮৪ রানের জয়। ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরাও হন ফরহাদ রেজা। ব্যাট হাতে ফিফটি করেছেন দুজন; শাহরিয়ার নাফীস ও আফতাব আহমেদ।

তৃতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেন তামিম ইকবাল। তার ১২৯ রানে ভর করে বাংলাদেশ পায় ৭৯ রানের জয়। সেই সঙ্গে প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে আইরিশদের হোয়াইটওয়াশ করার কীর্তি গড়ে বাংলাদেশ।

২০১০ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল যায় আয়ারল্যান্ড সফরে। টাইগারদের ওই সফরের শুরুটা হয় বাজেভাবে। বেলফোস্টে আইরিশদের কাছে হেরে যায় ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে। ম্যাচটিতে সেঞ্চুরি করেছিলেন জুনায়েদ সিদ্দিকী (১০০)। তার এই সেঞ্চুরি ম্লান হয় পোর্টারফিল্ডের শতকে। আইরিশ অধিনায়ক খেলেছিলেন ১০৮ রানের ইনিংস।

দুই দলের সর্বশেষ দেখাটাও বিশ্বকাপে। সময়টা ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। ওই ম্যাচে আইরিশদের ২৭ রানে পরাস্ত করেছিল সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। শফিউল ইসলামের ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ওঠে তামিম ইকবালের হাতে। ৮ ওভারে একটি মেডেনসহ ২১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন শফিউল। তারপরও হতে পারেননি সেরা খেলোয়াড়। ম্যান অব দ্য ম্যাচ তামিম ব্যাট হাতে করেছিলেন ৪৪ রান!

পরিসংখ্যান বলছে, ওয়ানডেতে আইরিশদের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। দুই দল মুখোমুখি হয় ৭ বার। বাংলাদেশ জিতেছে ৫ বার। আর আয়ারল্যান্ড জয় পেয়েছে বাকি দুটিতে। ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচ আগামীকাল শুক্রবার। প্রতিপক্ষ স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড। ডাবলিনের দ্য ভিলেজ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকাল পৌনে ৪টায় গড়াবে ম্যাচটি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী আইরিশদের চেয়ে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামছেন সাকিব-মুশফিকরা। জয় দিয়েই সিরিজের সূচনাটা করতে চাইবেন টাইগাররা। দেখা যাক, কী হয়!

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s