সবকিছু ঠিকঠাকই ছিলো। হোম অব গ্রাউন্ড মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংস্কার কাজ চলছে বলে প্রস্তুত করা হচ্ছিলো বিকল্প ভেন্যু। এমন সময় হঠাৎ করেই আগামী জুলাইয়ের বাংলাদেশ সফরটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

সফর স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন পিসিবির চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান নিজেই। যেখানে বলা হয়েছে দুই পক্ষের সম্মতিতেই সফরটি স্থগিত করা হয়েছে। যদিও ব্যাপারটি তেমন নয় বলে জানালেন আইসিসির সভা শেষে দেশে ফেরা বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। যে কারেণেই তিনি বলছেন, পিসিবির কাছে না আসার কারণ জানতে চাইবে বিসিবি।

যদিও এখন পর্যন্ত অফিসিয়ালি কিছু জানায়নি পিসিবি। গণমাধ্যমের বরাত দিয়েই তাদের না আসার খবরটি জেনেছে বিসিবি। তবে এতে না আসার কারণ জানা যায়নি। তাই নাজমুল হাসান পাপন বলছেন, ‘আমার সাথে কথা হয়নি। কেন আসছে না সেটা আমাদের জানা দরকার। একটা নির্দিষ্ট কারণ তো থাকতে পারে।’

অফিসিয়ালি কথা হয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘পাকিস্তানের সাথে আমাদের অফিসিয়াল কোনো কথা হয়নি। আমরা নিশ্চিত ছিলাম পাকিস্তান আসছে। এর আগেও আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে। ২০১৫ সালে যখন কথা হলো তখনও বলে গিয়েছিলো ২০১৭ সালে ওরা আমাদের এখানে আসবে। তখন এফটিপি কনফার্ম হয়েছিলো।’

পাকিস্তানের এই সফরটির পরই পাকিস্তান যাওয়ার ব্যাপারে বিসিবি সিদ্ধান্ত নিতো বলে জানালেন নাজমুল হাসান পাপন, ‘ওরা এই সফর করলে তারপর আমরা ওদের ওখানে যাবো কি না সেটা পরবর্তী সিদ্ধান্ত। হঠাৎ করে ওদের না আসার খবরটা আমরা জানতাম না।’

কিন্তু বলা হয়েছে আইসিসির সভায় শাহরিয়ার খানের সাথে কথা হয়েছে নাজমুল হাসান পাপনের। কিন্তু সফর স্থগিত নিয়ে কথা হয়নি বলে জানালেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলছেন, ‘বোর্ড মিটিং যেদিন শেষ হলো, সেদিন উনি আমাকে বলেছিলো এই সিরিজ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হচ্ছে। তারা আমার সাথে বসতে চায়। এতোটুকুই কথা হয়েছে।’

তবে পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে। বিসিবিও অনড় তাদের আগের সিদ্ধান্তে। ঘরের মাঠেই সিরিজ খেলতে চায় বাংলাদেশ। নাজমুল হাসান বলেন, ‘যেহেতু সে প্রেসকে বলে দিয়েছে, পাকিস্তান আসতে চায় না কিংবা আসতে পারছে না। আমরা ওদেরকে খসড়াসূচি পাঠাবো। তারপর ওরা আনুষ্ঠানিকভাবে কি জানায় সেটা সবাইকে জানাবো।’

Advertisements