প্রস্তুতি ম্যাচকে ‘প্রস্তুতি’ হিসেবেই দেখতে চান বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। সে কারণেই এই ধরণের ম্যাচে কখনই উইকেট নিতে চান না তিনি। প্রস্তুতি ম্যাচ নিয়ে সফলতম এই অধিনায়কের দর্শন এমনই।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে সামনে রেখে ইংলিশ কাউন্টি ক্লাব সাসেক্সের পাশাপাশি পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার একদিন আগে মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তাই মূল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি উঠে এলো প্রস্তুতি ম্যাচের প্রসঙ্গ।

টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ভালো করার ক্ষেত্রে অপরিচিত কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারাটা গুরুত্বপূর্ণ। সে কারনেই ১০ দিনের ক্যাম্পের পাশাপাশি মাশরাফিরা খেলবেন প্রস্তুতি ম্যাচ। কিন্তু এই ম্যাচে জয়ের গুরুত্ব কতটুকু? মাশরাফি জানাচ্ছেন, ব্যক্তিগত প্রস্তুতির পাশাপাশি দলীয় প্রস্তুতি হিসেবে এগিয়ে রাখে প্রস্তুতি ম্যাচ। কিন্ত এখানে জয়-পরাজয় নিয়ে ভাবনা নেই তার।

মাশরাফি বলেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচকে প্রস্তুতি হিসেবেই দেখতে চাই। এ নিয়ে এক একজন ক্রিকেটারের একেকরকম ভাবনা থাকতে পারে। তবে আমার ভাবনা হলো, আমি প্রস্তুতি ম্যাচে উইকেট না পেলেই বেশি খুশি হই। প্রস্তুতি ম্যাচে আমার উইকেট দরকার নেই। এটা একান্তই আমার ভাবনা। তবে দলীয়ভাবে ভালো পারফরম্যান্স করাটা জরুরী।’

প্রথমবারের মতো র‍্যাংকিংয়ের সুবাদে এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হিসেবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে ঘরের মাঠে ভালো পারফরম্যান্স করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু ইংলিশ কন্ডিশন কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলতে পারে মাশরাফি-সাকিবদের। সেখানকার ফ্ল্যাট উইকেটের কথা মাথায় রেখে চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশনেও রাখা হয়েছে একইরকম উইকেট।

মাশরাফির মন্তব্যের জের ধরে বলায় যায়, পেসারদের জন্য তাই কাজটা সহজ হবে না, নিতে হবে চ্যালেঞ্জ, ‘আইসিসির টুর্নামেন্টগুলোতে সাধারণত ৩০০-৩২০ রানের উইকেট করা হয়। ইংল্যান্ডের ফ্ল্যাট উইকেটেও তাই হবে।’

সবকিছু ঠিক থাকবে ২৬ তারিখ রাত সোয়া একটায় দেশ ছাড়বে মাশরাফিসহ দলের অন্যান্য ক্রিকেটাররা। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে সরাসরি ইংল্যান্ডে দলের সাথে যোগ দেবেন সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান।

Advertisements