সবশেষ ২০০৬ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলেছিল বাংলাদেশ। সেবার ছিলেন না মুশফিকুর রহিম। ১১ বছর পর আইসিসির এলিট টুর্নামেন্টে টাইগাররা রোমাঞ্চিত মুশফিক। সাসেক্সে ক্যাম্প এবং আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ থাকায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি হবে। তরুনদের সঙ্গে সিনিয়রদের দারুন বোঝাপড়ায় ইংল্যান্ডে ভালো কিছুর প্রত্যাশা মুশির।

মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরি-মুশফিকের কনফিডেন্স। মাশরাফির অসাধারণ ক্যাপ্টেন্সি। ছবি গুলো মনের ফ্রেমে বন্দী। রুবেলের ইয়োর্কার, কমেন্ট্রিতে নাসির হোসেনের কথাগুলো কানে বাজে এখনো। ২০১৫ বিশ্বকাপ স্মরণীয়, টাইগার ক্রিকেটের বদলে যাওয়ার প্রতিচ্ছবি।

বড় মঞ্চের পারফর্মেন্সে বদলেছে মানসিকতা। হোম কন্ডিশনে ভারত-পাকিস্তান-সাউথ আফ্রিকা বধে সাহস আরও চওড়া হয়েছে। এখন অ্যাওয়ে সিরিজেও বুক চিতিয়ে লড়ছে বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে চোখ ২০০ এর পর এলিট টুর্নামেন্টে টাইগাররা, চমকের অপেক্ষায়।

বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম জানান, ২০১৫ বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়ায় ক্যাম্প করেছিলাম। বেশ উপকৃত হয়েছিল দল। টুর্নামেন্টে দারুন কোরেছিলাম। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগেও সাসেক্সে ক্যাম্প হবে। এরপর আয়ারল্যান্ডে ট্রাই নেশন সিরিজ।

কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এগুলো অবশ্যই কাজে আসবে। আমাদের দলের অনেকের ইংল্যান্ডে খেলার অভিজ্ঞতা নেই ওখানে ক্যাম্প করা। খেলতে পারা আসলে দারুন প্রস্তুতি হবে ওদের জন্য।

সৌম্যের আবির্ভাব ডাউন আন্ডারে। গত দুই বছরে বড় প্রাপ্তি পেইস রহস্য মুস্তাফিজ। সৈকত-মিরাজের মত অকুতোভয় পারফর্মার স্বপ্ন বাড়িয়ে দিচ্ছে। অভিজ্ঞতা-তারুণ্যের মিশেলে এখন বড় মঞ্চে বড় অর্জনের লক্ষ্যে প্রস্তুত মুশফিকরা।

মুশফিকুর রহিম আরো জানান, গত আড়াই বছর আমরা দারুন সময় পার করছি। তিন ফরম্যাটেই ভালো করছে দল। যেমনটা প্রত্যাশা ছিল যেমন স্বপ্ন দেখতাম। এখনও অনেক জায়গায় উন্নতি দরকার। দলে সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে যে বন্ধন বড় প্রভাবক বলা যায়।

আমি, সাকিব-তামিম-মাশরাফি তরুনদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পেরেছি। ওরাও আগ্রহ নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে।

ইংলিশ কন্ডিশনে ভালো করার পর্যাপ্ত রসদ আছে। আছে শক্ত পেইস আক্রমণ, লম্বা ব্যাটিং অর্ডার। কার্যকরী অল রাউন্ডার। পরিণত মানসিকতায় চ্যাম্পিয়নস ট্রফি-তে কামব্যাক স্মরণীয় হবে তো? সমর্থকদের সেই অপেক্ষা।

Advertisements