টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত পাঁচবারের দেখায় চারবারই হারের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টিতে এদু’দল মুখোমুখি হয় গতবছর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে। ওই ম্যাচে ২৩ রানের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। জয়ের এই সুখ স্মৃতি নিয়েই মঙ্গলবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে লঙ্কানদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

লঙ্কানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ পিছিয়ে থেকে ড্র করে মুশফিকবাহিনী। তবে ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত সিরিজ ড্র করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় মাশরাফিবাহিনীকে। সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাশরাফি বিন মুর্তজাদের এবারের মিশন টি-টোয়েন্টি সিরিজ। মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে দু’দলের দুই ম্যাচের এই টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র জয়টি আসে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের ম্যাচে। সেদিন সাব্বির রহমানের ঝড়ো ৮০ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ দাঁড় করায় ১৪৭ রানের লড়াকু সংগ্রহ। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে লঙ্কানরা থামে ১২৪ রানে। স্বাগতিক বাংলাদেশ পায় ২৩ রানের মধুর জয়।

এই দুই দলের মুখোমুখি দেখায় বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান সাব্বির রহমানের। ডানহাতি এই আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যানের ঝুলিতে রয়েছে ১০৬ রান। তার মধ্যে সর্বশেষ জয় পাওয়ার ম্যাচে সাব্বির একাই করেছিলেন ৮০ রান। এছাড়া বল হাতে ছয় উইকেট নিয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি সাকিব আল হাসান।

অন্যদিকে লঙ্কানদের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কুশল পেরেরা। দুই হাফ সেঞ্চুরিতে তার সংগ্রহ ১৪৯ রান।সর্বোচ্চ ৬৪ রান। এছাড়া বল হাতে ছয় উইকেট নিয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি লঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। ইনজুরির কারণে ওয়ানডে সিরিজে না থাকলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলে ফিরেছেন ডানহাতি এই পেসার।

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট-বল হাতে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। সেই সঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে সর্বশেষ দেখায় জয়ের সুখ স্মৃতি নিঃসন্দেহেই মানসিকভাবে এগিয়ে রাখবে বাংলাদেশকে। টেস্ট, ওয়ানডের পর এবার টি-টোয়েন্টিতেও নিজেদের রাঙ্গিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় থাকবে বাংলাদেশের।

Advertisements