ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপে দুটি ম্যাচ জিতলেও ছন্দময় বাংলাদেশের দেখা মেলেনি। ব্যাট হাতে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই দিক হারাতে দেখা গেছে বাংলাদেশকে। শেষ ম্যাচে তো পাকিস্তানের করা ২৩৩ রানও টপকাতে পারেনি মুমিনুল হকের দল। ম্যাচগুলো কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়াতেই এমন হয়েছে বলে মনে করেন হাবিবুল বাশার।

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে জাতীয় দলের নির্বাচক বলছেন, কক্সবাজারের মাঠে কম খেলা হওয়ার কারণে উইকেট সেভাবে বুঝতে পারেনি বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। তবে এই মাঠে আর খেলতে হচ্ছে না বাংলাদেশকে। ইমার্জিং কাপের বাকি খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। শনিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সেমি ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে চেনা কন্ডিশন পাবে মুমিনুল, নাসিরা।

যে কারণেই হাবিবুল বাশারের বিশ্বাস জ্বলে উঠবে বাংলাদেশ, ‘আমার মনেহয় এখানে বেশি রান হবে। কক্সবাজারের চেয়ে এখানে বেশি খেলেছে আমাদের ক্রিকেটাররা। কক্সবাজারে নিয়মিত খেলা না হওয়ায় একটু সমস্যা হচ্ছিলো। এখানে ভালো উইকেট, পরিচিত মাঠ। ওই মাঠের চেয়ে এখানে অনেক বেশি ফোর ডে ম্যাচ খেলা হয়েছে। আশা করি ভালো পারফর্ম দেখতে পাবো সবার কাছ থেকে। চেনা কন্ডিশনে জ্বলে উঠবে বাংলাদেশ।’

টুর্নামেন্টটা মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ ভিত্তিক। কিন্তু বাংলাদেশের দুঃসময়ে প্রতি ম্যাচে ত্রাতা হয়ে হাজির হয়েছেন জাতীয় দলের মুমিনুল, নাসিররা। উদীয়মান ক্রিকেটাররা প্রত্যাশা পূরণে একপ্রকার ব্যর্থই। তবে আশা হারাচ্ছেন না বাশার, ‘ওদের সবারই সামর্থ্য আছে। শান্ত, আফিফ, সাইফ ওদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল। এই টুর্নামেন্টে সাইফ মোটামুটি রান করেছে। শান্ত ও আফিফ পারেনি। যেমনটা প্রত্যাশা ছিলো তেমনটা পাইনি। আশা করি কালকের ম্যাচে পারবে।’

ইমার্জিং কাপে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করা হাবিবুল বাশার এই টুর্নামেন্ট দিয়ে জাতীয় দলে ফেরার কথাও মনে করিয়ে দিলেন সিনিয়র খেলোয়াড়দের, ‘সিনিয়র খেলোয়াড় যারা আছে তাদের জন্য এটা একটা প্ল্যাটফর্ম। তারা কেমন ফর্মে রয়েছে সেটি দেখানোর। এই টুর্নামেন্ট উদীয়মান ক্রিকেটারদের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি সিনিয়রদের জন্যও।’

Advertisements