মাশরাফি বিন মুর্তজা লিখে দিয়েছিলেন, ছয় মাসের আগে রঙিন পোশাকে সেঞ্চুরি পাবেন না তামিম ইকবাল। শেষ পর্যন্ত তাই হয়েছে। সর্বশেষ অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দেশের মাটিতে সেঞ্চুরি করেছিলেন ড্যাশিং ওপেনার। পরের সেঞ্চুরিটি পেলেন ছয় মাসের মাথায়, মার্চে।

এমন তথ্য নিজেই জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০ হাজার রান করা তামিম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শনিবার তার করা ১২৭ রানের ঝড়ো ইনিংসে চড়ে ৩৫৪ রানের সংগ্রহ তোলে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত লঙ্কানদের বিপক্ষে ৯০ রানের জয়ও তুলে নেয়।

নিজের সেঞ্চুরি নিয়ে বলতে গিয়েই উঠে আসে সীমিত ওভারে মাশরাফির ভবিষ্যতবাণীর কথা। তামিম জানান, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১১৮ রানের ওই ইনিংস খেলার পর ড্রেসিংরুমে মাশরাফি লিখে দিয়েছিলেন পরের সেঞ্চুরি পেতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগবে তামিমের। মূলত, তামিমকে মানসিকভাবে তাঁতিয়ে দিতেই এমনটা বলেছিলেন মাশরাফি।

শেষ পর্যন্ত তাই হলো। দুই সেঞ্চুরি মধ্যে তামিম খেলেছেন ছয়টি ওয়ানডে ম্যাচ। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ইনিংস ৫৯ রানের, আরেকটি ৪৮ রানের। তামিম বলেন, ‘যখন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে ড্রেসিংরুমে গেলাম, তখন মাশরাফি ভাই বললেন আমার সেঞ্চুরিতে তিনি খুব খুশি হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিনি (মাশরাফি) প্রায়ই আমাকে হুমকি দেন ভালো ইনিংস খেলার জন্য। আমি খুশি শেষ পর্যন্ত তার হুমকি চড়ে হলেও সেঞ্চুরি পেয়েছি। দলের প্রয়োজনে রান করতে পেরেছি।’

জানিয়ে রাখা ভালো, এটি ছিলো তার অষ্টম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয়। ২০১৩ সালে হাম্বানটোটায় ১১২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তামিম। 

সূত্র: ডেইলি স্টার

Advertisements