বোলিংয়ে এসেই দুর্দান্ত এক বলে তামিমকে বোকা বানলেন। তার পরের ওভারে এসে আবার দুই বলে দুই উইকেট তুলে নিল মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু তারপর ও শেষমেশ জয় ছিনিয়ে নিতে পারলো না তার দল কোয়েটা গ্লাডিয়েটরস।

একে ছোটো পুঁজি, তারওপর বলই হাতে নিতে পারলেন না উমর গুল। তারপরও মাহমুদউল্লাহ ও টাইমাল মিলসের দারুণ বোলিংয়ে লড়াই করলো কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। কিন্তু দারুণ এক ইনিংসে দলটির জয় কেড়ে নিলেন শহিদ আফ্রিদি। রোমাঞ্চকর ম্যাচে সাকিব আল হাসান-তামিম ইকবালের পেশাওয়ার জালমি জিতেছে ২ উইকেটে।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শেষ বলে অলআউট হওয়ার আগে ১২৮ রান করে কোয়েটা। শেষের দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে ২ বলে শূন্য রানে ফিরেন মাহমুদউল্লাহ। শুধু তিনি একাই নন, শেষ ছয় ব্যাটসম্যানের কেউই যেতে পারেননি দুই অঙ্কে।

৪ রানে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানকে হারানো কোয়েটাকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন কেভিন পিটারসেন (৪৩ বলে ৪১) ও রাইলি রুশো (৩৪ বলে ৩৮)। এই দুই জনের বাইরে দুই অঙ্কে যান কেবল মোহাম্মদ নওয়াজ। মোহাম্মদ আসগর ৩৩ রানে নেন ৩ উইকেট। হাসান আলি ২ উইকেট নেন ২২ রানে। সাকিব ২৫ রানে নেন ১ উইকেট। তার বলে ড্যারেন স্যামির হাতে জীবন পাওয়া রুশো ৮৬ রানের জুটি গড়েন পিটারসেনের সঙ্গে।

জবাবে ১৯ ওভার ২ বলে ৮ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পেশাওয়ার। সপ্তম ওভারে তামিমকে (১৩ বলে ৭) ফিরিয়ে ৩৮ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন মাহমুদউল্লাহ। ১ বলে ১ রান করে রান আউট হন সাকিব। পরপর দুই বলে শোয়েব মাকসুদ ও ড্যারেন স্যামিকে ফিরিয়ে দলকে খুব ভালো অবস্থানে নিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। হ্যাটট্রিক প্রায় হয়েই যাচ্ছিল। অল্পের জন্য ফিল্ডারের হাতে যায়নি আফ্রিদির ক্যাচ।

শেষ পর্যন্ত এই অলরাউন্ডারের ৩টি করে ছক্কা-চারে গড়া ২৩ বল স্থায়ী ৪৫ রানের দারুণ ইনিংসে নাটকীয় জয় তুলে নেয় দলটি। টেলএন্ডারদের নিয়ে শেষ ৪ ওভারে ৪০ রানের সমীকরণ মেলান আফ্রিদি। কামরান আকমল ২৬ ও মোহাম্মদ হাফিজ ফিরেন ২২ রান করে। কোয়েটার টাইমাল মিলস (৩/২০) ও মাহমুদউল্লাহ (৩/৩১) তিনটি করে উইকেট নেন।

Advertisements