লাহোর কান্দার্সের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে দারুণ পারফর্ম করেছেন সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে করেছেন ৩০ রান; আর বল হাতে নিয়েছেন দুই উইকেট। সাকিবের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জয় পেয়েছে পেশোয়ার জালমি; জয়টা ১৭ রানের। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভার খেলে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান তোলে পেশোয়ার। জবাবে ২০ ওভার খেললেও ৯ উইকেটে ১৪৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি লাহোর।

লক্ষ্য তাড়া করতে নামা লাহোরকে আশা দেখিয়েছিলেন ওপেনার ডেলপোর্ট। ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন। ১৫ বলে ৭টি চারের মারে করেন ৩২ রান। কিন্তু হাসান আলির বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে তাকে ফিরতে হয় সাজঘরে। দলের আরেক ওপেনার ও অধিনায়ক ৬ রান করে কাটা পড়েন রান আউটে।

এরপর সাকিব আল হাসান ও মোহাম্মদ হাফিজের ঘূর্ণিতে পড়ে লাহোর। সাকিবের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন উমর আকমল (১) ও গ্র্যান্ট এলিয়ট (০)। হাফিজ ফেরান ফাখর জামান (০) ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে (৪)।

লাহোরের লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরা ভয় দেখিয়েছিলেন পেশোয়ারকে। সুনিল নারিনের ২১, আমির ইয়ামিনের ২৫, ইয়াসির শাহর ২২ আর সোহেল তানভীরের অপরাজিত ৩৬ রানও অবশ্য লাহোরের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।

২ ওভারে একটি মেডেনসহ ১৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট লাভ করেছেন সাকিব। ৩ ওভারে ২৫ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন হাফিজ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন ড্যারেন স্যামি, শহিদ আফ্রিদি ও ওয়াহাব রিয়াজ।

এর আগে পেশোয়ার জালমির হয়ে কামরান আকমলের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন তামিম ইকবাল। শুরুটা ভালো হয়নি পেশোয়ার জালমির। দলীয় ৬ রানের মাথায় বিদায় নেন তামিম। ৫ রান করা বাংলাদেশি এই ওপেনার শিকার আমির ইয়ামিনের।

কামরান আকমল ব্যাট হাতে তুলে নিয়েছেন ফিফটি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি তার-ই। ইয়াসির শাহের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন কামরান। ৪০ বলে ৯টি চারের সাহায্যে ৫৮ রান করেন পাকিস্তানি এই উইকেটরক্ষক।

পেশোয়ারের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন সাকিব। ২৪ বল মোকাবেলা করে দুটি চার ও একটি ছক্কায় ৩০ রান করেন। বাংলাদেশি এই অলরাউন্ডারকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান সোহেল তানভীর। মোহাম্মদ হাফিজ করেন ১৩ রান। ১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি।

লাহোরের পক্ষে ১৯ রান খরচায় দুই উইকেট লাভ করেছেন ইয়াসির শাহ। একটি করে উইকেট লাভ করেছেন সুনিল নারিন, আমির ইয়ামিন ও সোহেল তানভীর।

Advertisements