২০১৫ সালটা মাতিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ওয়ানডে অভিষেকে দুর্দান্ত সাফল্য তাঁকে আইসিসির বর্ষসেরা দলেই জায়গা করে দিয়েছিল। সেরা নবাগতের পুরস্কার অদ্ভুতভাবে জশ হ্যাজলউডের কাছে গেলেও সেটা ২০১৬তেই বুঝে নিয়েছেন মোস্তাফিজ। ক্রিকইনফো অবশ্য সে ভুল করেনি, ২০১৫ সালের সেরা নবাগত হয়েছিলেন বাংলাদেশি পেসার, আর সেটা পাঠকের ভোটেই। বছর পেরোতেই আবারও উঠল প্রশ্ন, কে হচ্ছেন ২০১৬ সালের ‘মোস্তাফিজ’?
ক্রিকেটের জনপ্রিয় এই ওয়েবসাইট ২০১৬ সালে সেরা নৈপুণ্যের স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে আজ রাত সাড়ে ৯টায়। তিন সংস্করণেই ব্যাটিং বোলিংয়ের সেরা নৈপুণ্যের সঙ্গে সেরা নবাগত ও সেরা অধিনায়ক ঘোষণার প্রথাটা চলছে অনেক দিন ধরে। এবার যোগ হয়েছে সহযোগী দেশ ও নারী ক্রিকেটেরও দুই বিভাগের সেরা নৈপুণ্যের পুরস্কারও। তবে সবার দৃষ্টি থাকবে সেরা নবাগতর দিকেই। এবারও যে দর্শক, পাঠকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েই বিজয়মাল্য গলায় পরবেন একজন। সেটা হতে পারেন বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজও।
গত বছর মাত্র দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেই এমন সাফল্য ধরা দিতে পারে মিরাজের হাতে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক সিরিজে ১৯ উইকেট প্রাপ্তিটা এবারের ফেবারিটদের তালিকায় তুলে দিয়েছে এই স্পিনিং অলরাউন্ডারকে। তবে লড়াইটা এবার জমেছে বেশ। ভারতেরই তিনজন ক্রিকেটার আছেন এবার। টি-টোয়েন্টিতে সবাইকে চমকে দেওয়া জসপ্রীত বুমরা, মাত্র দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি করা করুণ নায়ার ও জয়ন্ত যাদব আছেন সেরা নবাগতের লড়াইয়ে। ইংল্যান্ডের হাসিব হামিদ, কিটন জেনিংসও ছেড়ে কথা বলবেন না নিশ্চয়ই! আর ৩৪ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকান স্টিভেন কুককেও বা উড়িয়ে দেবেন কীভাবে!

ইংল্যান্ডের সিরিজ দিয়ে আরেকটি বিভাগেও নাম উঠেছে মিরাজের। ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ইতিহাস গড়া স্পেলটি আছে টেস্টের সেরা বোলিং পারফরম্যান্সের কাতারে। এ ক্ষেত্রে অবশ্য স্টুয়ার্ট ব্রড, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, টিম সাউদি, রঙ্গনা হেরাথ ও ইয়াসির শাহদের সঙ্গে পাল্লা দিতে হবে তাঁকে। ফেবারিট অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জোহানেসবার্গে ব্রডের ৬ উইকেটের সে স্পেলটি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কাগিসো রাবাদা ও ভারনন ফিল্যান্ডারের স্পেল দুটিও নিশ্চয় ছেড়ে কথা বলবে না!

Advertisements