২০১৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অন্যতম সফল অস্ত্র ছিলেন পেসার রুবেল হোসেন। কিন্তু তারপরই জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে পরেন এই গতি তারকা। আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফরে থাকবেন কিনা তা জানা যাবে ২০শে ফেব্রুয়ারি দল ঘোষণার পর। তবে রুবেল হোসেন জাতীয় দলে ফিরতে মরিয়া হয়ে আছেন। এই লক্ষ্যেই করে যাচ্ছেন কঠোর পরিশ্রমও।

প্রথমে ইনজুরি ও পরে শৃঙ্খলাজনিত কারণে দল থেকে বাদ পড়েন বাগেরহাটের এই ক্রিকেটার। নিউজিল্যান্ড সফরেও রাখা হয়নি তাকে দলে। তবে মোহাম্মদ শহীদের ইনজুরিতে দলে জায়গা পেলেও ওয়ানডে একাদশে জায়গা হয়নি এই তারকা পেসারের। পরে টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ পেয়ে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ রাখেন।

কিন্তু এরপর জায়গা মেলেনি প্রথম টেস্ট একাদশে। তবে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে তাকে দলে রাখা হলেও ভারত সফরে রাখা হয়নি। এই সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগে (বিসিএল) প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোনের হয়ে খেলছেন তিনি। ইনিংসে একবার পাঁচ উইকেটসহ দুই ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন এ পেসার।

গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে একাডেমির মাঠে অনুশীলনের ফাঁকে বলেন, ‘আমি অনেক কষ্ট করছি। অনেক কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছি আর মাঠে এর প্রয়োগ করার চেষ্টা করছি। ভালোই মনে হচ্ছে আমার ছন্দ। নিজের পুরো গতিতে লম্বা স্পেল করছি। আমি এটা ধারাবাহিক করতে চাই।’
জাতীয় দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে গেলেও তিনি তাকিয়ে আছেন নির্বাচকদের দিকে, ‘এটা সম্পূর্ণ নির্বাচকদের ওপর নির্ভর করে। আমি এখন বিসিএলে খেলছি। আমার লক্ষ্য এখানে ভালো বোলিং করা, উইকেট নেয়া। দলের যেভাবে ভালো হবে আমি সে চেষ্টাই করি। নির্বাচকরা সবাই মাঠে যাচ্ছেন, সব ম্যাচে তারা দেখছেন কে কেমন করছে। এটা সম্পূর্ণ তাদের ওপর। অবশ্য আমি যদি সুযোগ পাই তাহলে সেটা পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো।’

এই পেসার দল থেকে বাদ পড়ায় ভেঙে পড়েননি। বরং তিনি জাতীয় দলে ফেরাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছেন, ‘ক্রিকেটে সব খেলোয়াড়েরই এটা হবে। আমি দলে ফেরাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। আমাকে আবার ভালো বোলিং করতে হবে। ভালো বোলিং করেই আমাকে জাতীয় দলে জায়গা করে নিতে হবে।’

উল্লেখ্য, পেসার রুবেল হোসেন জাতীয় দলের হয় ২২ টেস্ট ও ৫৭ ওয়ানডে খেলে যথাক্রমে ৩২ ও ৭৫ উইকেট নিয়েছেন।

Advertisements