যত বড় জুটি, ততই সম্ভাবনা স্কোর হৃষ্টপুষ্ট হয়ে ওঠার। ভারতের বিপক্ষে হায়দরাবাদ টেস্টে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ শতরানের জুটি পেয়েছে একটি। পঞ্চম উইকেট জুটিতে সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম যোগ করেছেন ১০৭ রান। মুশফিক এই টেস্টে সেঞ্চুরি করতে পারবেন কি না, কালই জানা যাবে। তবে জুটির সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক কিন্তু একটি রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন আজ। আর ১৩ রান হলেই গড়বেন নতুন রেকর্ড।

বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে শতরানের জুটির সবচেয়ে বেশি অংশীদার হাবিবুল বাশার, ১৪ বার। মুশফিকও তা-ই। এই ১৪টি শতরানের জুটিতে সর্বোচ্চ চারবার তাঁর সঙ্গী ছিলেন সাকিব আল হাসান। কদিন আগে ওয়েলিংটন টেস্টে সাকিবের সঙ্গেই গড়েছেন রেকর্ড ৩৫৯ রানের জুটি। মাহমুদউল্লাহ, নাসির ও আশরাফুলের সঙ্গে মুশফিক শতরানের জুটি গড়েছেন দুবার। নাঈম, মুমিনুল, মেহরাব জুনিয়র ও জুনায়েদের সঙ্গে গড়েছেন একবার করে।
হাবিবুল বাশার সবচেয়ে বেশি শতরানের জুটি গড়েছেন জাভেদ ওমরকে নিয়ে। দুজনের জুটি ‘সেঞ্চুরি’ করেছে পাঁচবার। বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক হান্নান সরকারের সঙ্গে তিনবার, রাজিন ও শাহরিয়ার নাফীসকে নিয়ে দুবার গড়েছেন শতরানের জুটি। মানজারুল ইসলাম ও মেহরাব হোসেনের সঙ্গে একবার করে।
এই তালিকায় তিনে আছেন সাকিব আল হাসান। ১৩ বার শতরানের জুটিতে অংশ হয়েছেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। ২২ গজে সাকিবের রসায়ন সবচেয়ে বেশি জমেছে মুশফিকের সঙ্গে চারবার। শাহরিয়ার, নাঈম, মাহমুদউল্লাহ, নাসির, তামিম, সৌম্য, মুমিনুল, আশরাফুল, রকিবুলের সঙ্গে একবার জুটিতে ‘সেঞ্চুরি’ করেছেন।
শতরানের জুটি গড়তে তামিম ইকবাল অবদান রেখেছেন ১২ বার। ইমরুল ও মুমিনুলের সঙ্গে চারটি করে শতরানের জুটি গড়েছেন তামিম। জুনায়েদ-তামিম মিলে শতরানের জুটি গড়েছেন তিনটি। শত রানের বাকি জুটিটা গড়েছেন সাকিবের সঙ্গে।
এখন পর্যন্ত টেস্টে বাংলাদেশের যে ৬০টি শতরানের জুটি হয়েছে এর মধ্যে ৫৩টিতেই অবদান আছে মুশফিক, হাবিবুল, সাকিব ও তামিমের। এ তালিকায় হাবিবুলকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে মুশফিকের। হায়দরাবাদ টেস্টের তৃতীয় দিনে অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটিতে মুশফিক-মেহেদী হাসান মিরাজ যোগ করেছেন ৮৭ রান। এই জুটি তিন অঙ্কে পৌঁছালেই ১৫টি সেঞ্চুরি জুটিতে নাম লেখানো হয়ে যাবে মুশফিকের।

শতরানের জুটির অংশীদার (বার)
হাবিবুল বাশার  ১৪
মুশফিকুর রহিম  ১৪
সাকিব আল হাসান  ১৩
তামিম ইকবাল  ১২
Advertisements