যা কেউ স্বপ্নেও ভাবেনি, ২০০০ সালের ১১ নভেম্বর সেটাই করেছিলেন আমিনুল ইসলাম। বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টেই করেছিলেন সেঞ্চুরি। সেদিনের প্রতিপক্ষ ভারতের বিপক্ষে আজ প্রথমবার অ্যাওয়ে টেস্ট খেলতে নামছেন তাঁর উত্তরসূরিরা। সুদূর মেলবোর্ন থেকে গতকাল টেলিফোনে মাসুদ পারভেজকে আমিনুল জানিয়েছেন এ ম্যাচকে ঘিরে নিজের স্বপ্নের কথা…

প্রশ্ন : এই সময় না আপনার হায়দরাবাদেই থাকার কথা শুনেছিলাম?

আমিনুল ইসলাম : হ্যাঁ, হায়দরাবাদ যাওয়ার আমন্ত্রণ ছিল। অন্তত টেস্টের যেকোনো একদিন উপস্থিত থাকতে পারলেও ভালো লাগত। কিন্তু অন্তহীন ব্যস্ততায় যেতেই পারলাম না আর।

প্রশ্ন : কী নিয়ে এত ব্যস্ত এখন?

আমিনুল : আফগানিস্তানকে টেস্ট মর্যাদা দেওয়ার একটি আলোচনা শুনেছেন নিশ্চয়ই। তা আইসিসির ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার হিসেবে ওদের প্রজেক্ট পেপার তৈরির সঙ্গেও যুক্ত আছি। এ ছাড়া আইসিসি সারা বিশ্বের ২৫টি দেশকে ‘সাপোর্ট প্যাকেজ’ অফার করবে। এর মধ্যে চীনসহ এশিয়ার ৯টি দেশ সরাসরি আমার তত্ত্বাবধানে আছে। তা ব্যস্ততা এদের ক্রিকেট নিয়েও আছে।

প্রশ্ন : তাই বলে হায়দরাবাদে ভালো কিছুর প্রত্যাশা করবেন না?

আমিনুল : আরে, কেন করব না! তা ছাড়া হায়দরাবাদ আমাদের লাকি ভেন্যু। সবাই ১৯৯৭ সালে প্রথম ওয়ানডে জয়ের কথাই বলেন। আমি বলব আরো আগের কথা। আমাদের প্রজন্মের ক্রিকেটারদের তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রেও ওই জায়গাটার অবদান আছে। একসময় বিসিবি একাদশ নাম নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় দল হায়দরাবাদে মঈনুদ্দৌলা ট্রফি খেলতে যেত। দলে না থাকলেও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে সুখস্মৃতি আছে আমাদের মুস্তাফিজেরও। তবে সব কথার শেষ কথা হলো, ভারত ১৬ বছর পর আমাদের খেলতে নিয়েছে। আমি চাই ছেলেরা সেই জেদ থেকে আরো ভালো খেলুক। যাতে এখন থেকে খেলার আমন্ত্রণ আসে ঘন ঘন। ব্যক্তিগতভাবে আমি পাঁচটি দিনই তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে চাই। মুশফিকরা হারলেও যেন ছাপ রেখে আসে। যেন প্রমাণ করে আসতে পারে বাংলাদেশ যোগ্য দল।-কালের কন্ঠ

Advertisements