বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টার্নটা আসে ২০১৫ সালে। বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার পর একের পর এক সিরিজ জিতে টাইগাররা। ২০১৫ সালটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাফল্যের বিবেচনায় সবচেয়ে সেরা বছর। ক্রিকেটারদের পারফরমেন্সও ছিলো নজরকাড়া। আগমন ঘটেছিলো তরুণ বিস্ময় মুস্তাফিজুর রহমান, সৌম্য সরকারের মতো ক্রিকেটারদের। তবে পারফরমেন্স বিবেচনায় সৌম্য সরকার ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে পেছনে ফেলে ২০১৫ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া পুরস্কার ‘কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস এওয়ার্ড’ আজ (সোমবার) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ২০১৫ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার উঠেছে মুস্তাফিজের হাতে। সেরা হবার দৌড়ে মুস্তাফিজ পিছনে ফেলেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকারকে।

২০১৫ সালে বিশ্বকাপে দুনিয়াব্যাপি নজর কাড়েন মাহমুদউল্লাহ। টানা দুই ম্যাচে শতক হাঁকান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের ম্যাচে প্রথম শত রানের দেখা পেয়েছিলেন রিয়াদ।

এদিকে ২০১৫ সালে বছরজুড়ে দারুণ খেলেছিলেন সৌম্য সরকার। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে তুলে নিয়েছিলেন দুর্দান্ত এক শতক। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টাইগারদের সিরিজ জয়ের নায়ক ছিলেন এই বামহাতি ব্যাটসম্যান। ২০১৫ তে ১৫ টি একদিনের ম্যাচ খেলে সৌম্য সরকার করেছিলেন ৬৭২ রান।

তবে ২০১৫ সালটিকে স্মরণীয় করে রেখেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে অভিষেকের পর থেকেই অসাধারণ পারফর্ম করে সবার নজরে আসেন এই বামহাতি পেসার। ভারতের বিপক্ষে একদিনের সিরিজে তিন ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে টাইগারদের সিরিজ জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিলো মুস্তাফিজের। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেক টেস্টেই হয়েছিলেন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়। পাশাপাশি বছর জুড়ে সব ফরমেটেই বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন কাটার মাস্টার। যার বদৌলতে ২০১৫ সালের বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার উঠলো মুস্তাফিজের হাতে।

Advertisements