মুশফিকুর রহিমের পরিবর্তে শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে অভিষেক হয় সোহানের। তামিম ইকবাল তাকে টেস্ট ক্যাপ পরিয়ে দেন। অভিষেকেই তিনি ৪৭ রানের একটি ইনিংস খেলেন। এর আগে ৪৪ রান করেছিলেন লিটন কুমার দাস। ভারতের বিপক্ষে ফতুল্লায় লিটন ৪৪ রানের ইনিংসটি করেছিলেন। ঢাকায় ২০০০ সালে অভিষেক টেস্টে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩২ রান করেছিলেন খালেদ মাসুদ পাইলট।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৫ সালে অভিষেক টেস্টে ১৯ রানের একটি ইনিংস খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে তার অভিষেক উইকেটরক্ষক হিসেবে হয়নি। তখন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ছিলেন খালেদ মাসুদ পাইলট।
ক্রাইস্টচার্চে সাকিব আল হাসান পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন সোহান। ষষ্ঠ উইকেটে অভিষেক হওয়া আরেক ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে জুটি বাঁধেন সোহান। ৫৩ রান যোগ করেন দুই অভিষিক্ত ক্রিকেটার। শান্ত ১৮ রানে সাজঘরে ফিরে গেলেও সোহান ব্যাট চালিয়ে যান। বোল্টের লেগ স্ট্যাম্পের বাইরের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেয়ার আগে ৯৮ বলে ৫ চারে ৪৭ রান করেন সোহান।

উল্লেখ্য, ৮৫তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয়েছে নূরুল হাসান সোহানের। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা অবশ্য একটু বেশি। অর্জনও মন্দ নয়। ৪৯ ম্যাচের ৭১ ইনিংসে রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার রান। সর্বোচ্চ ১৮২ অপরাজিত। সেঞ্চুরি পাঁচটি আর  ফিফটি ১৩। গড় ৪১.৮১।

গত সাত ইনিংসে তার গড় ১৩৩। ইনিংসগুলো হলো ১৮২*, ৭৬, ১৮, ৭৯*, ৫২, ২২ ও ১০৩*। কেবল ব্যাটসম্যান নয়, তার দায়িত্ব উইকেটকিপিংও। ইনজুরির কারণে ২০০৭ থেকে টানা ৪৯ টেস্ট খেলা মুশফিক এই প্রথম টেস্ট দলের বাইরে।

এদিকে, নিজেদের প্রথম টেস্ট ছাড়া দুই দেশের দুই টেস্টের কোনো সিরিজে কোনো দলের চারজনের টেস্ট অভিষেক হওয়ার ঘটনা বিরলই। বিদেশের মাটিতে এমন আনকোরা দল নিয়ে টেস্ট খেলতে দেখা যায় না কোনো দলকে। আগের টেস্টে তাসকিন, শুভাশিষ আর এবার নুরুল হাসান সোহান আর নাজমুল হোসেন শান্ত’র অভিষেক হলো।

Advertisements