নিউজিল্যান্ড সফরের শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে তামিম ইকবালের সতীর্থ বণে গেল সৌম্য সরকার। তামিম ইকবাল যেখানে ৪৬ টেস্ট খেলতে নামছে সেখানে সৌম্য নামছে ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্টে। ইনজুরি সমস্যায় ভুগতে থাকা টিম বাংলাদেশ যেন হারিয়ে খুজছে নিজেদের। শুরুর দায়িত্বটা তাই খুব বেশি ছিল টপ অর্ডারদের।

ক্রিস্টচার্চের এই হিম শীতল আবহাওয়ায় টসে হেরে ব্যাটিং এর আমন্ত্রন পায় বাংলাদেশ। দারুণ সুইং আর বাউন্সে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল টপ অর্ডারদের। দলের ৭ আর নিজের ৫ রানে যখন তামিম আউট হয়ে ফিরে যাচ্ছিল অপর প্রান্তে তখন ২ রানে অপলক দৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে সৌম্য। গত দেড় বছরের রান খড়ার মাঝে খুব বেশি বড় ইনিংস খেলতে পারেন নি। টিম ম্যানেজমেন্টের দেয়া বার বার সুযোগ পেয়েও নিজের খেলাটা আর হয়ে উঠে নি। কিন্তু সফরের শেষ ম্যাচে নীথর এক বাংলাদেশের কান্ডারি হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন সাউদি আর বোল্ডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। খেলেছেন এক অনবদ্ধ ইনিংস। তামিমের পর ভালোই সঙ্গ দিছিল মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু আবারো ছন্দ পতন । নিজের ১৯ রানে ফিরে ফিরে যান রিয়াদ। এরপর সাকিবকে নিয়ে টেনে যাচ্ছিল চিরচেনা সৌম্যরুপেই।

অনেকদিন পর বেশ আত্নবিশ্বাসী সৌম্যের চোখে মুখে যেন তৃপ্তির ছাপ। সাকিবকে সাথে নিয়েই প্রথম সেশন শেষ করলেন। ভালো বোঝাপড়ায় পার্টনারশিপও বাড়ছিল। কিন্তু ১১ চারে ১০৪ বলে ক্যাচ তুলে ৮৬ রানের যাত্রা শেষ করেন সৌম্য। ১৪ রানের আপেক্ষটা সকলের কাছে মনে হলেও তারচেয়ে বড় আক্ষেপ ছিল হয়ত তার কাছে। দলের নির্ভরযোগ্য তিন ব্যাটসম্যানের ইনজুরিতে অনেক দায়িত্ব নিয়ে ক্রিজে এসেছিলেন তিনি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে সাকিবের সাথে তোলেন ১২৭ রান। অসাধারন বল করতে থাকা বোল্ড আর সাউদির সামনে কঠিন পরীক্ষা দিতে হচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। শুরুতেই সৌম্যের এমন দাপুটে স্বাক্ষর হয়ত দলের মোট রানকে একটা সুবিধাজনক জায়গায় নিতে যেতে পারবে।

Advertisements